হাতকড়া পড়ে পুলিসের ঘেরাটোপে দেগঙ্গা বিডিও অফিসের হিয়ারিং সেন্টারে বিচারাধীন বন্দী, যুবকের এই অবস্থায় দেখে চক্ষু চড়কগাছ পরিবার থেকে প্রতিবেশীদের। কেন চক্ষু চড়কগাছ? আসলে বছর ২৬-এর শামিম হাসান বেশ ...
হাতকড়া পড়ে পুলিসের ঘেরাটোপে দেগঙ্গা বিডিও অফিসের হিয়ারিং সেন্টারে বিচারাধীন বন্দী, যুবকের এই অবস্থায় দেখে চক্ষু চড়কগাছ পরিবার থেকে প্রতিবেশীদের। কেন চক্ষু চড়কগাছ? আসলে বছর ২৬-এর শামিম হাসান বেশ কেয়ক মাস হল এলাকায় থাকেন না। ফলে এলাকার মানুষ তাকে এই কমাস দেখেননি। সকলেই ভেবেছিলেন শামিম কোথাও কাজে গেছেন। এদিকে দেগঙ্গা থানার চৌরাশী পঞ্চায়েতের মাটিকুমড়া গ্ৰামের বাসিন্দা শামিম হাসান।
হঠাৎ বুধবার সোজা জেল থেকে হাজির বিডিও অফিসের হিয়ারিং সেন্টারে । তার হাতে হাতকড়া। আর এই সব দেখেই চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার যোগাড় এলাকাবাসীর।
সকলেই দেখেন পুলিসের ঘেড়াটোপে হাতকড়া পড়ে আছে শামিম। প্রতিবেশীদের দাবি,তারা জানেন, কর্মসূত্রে শামিম বাইরে কোথাও থাকেন, শামিমের মায়ের দাবি, বাড়িতে ছেলের হেয়ারিং -এর নোটিশ আসার পর খবর পান ছেলে চারমাস বসিরহাট জেলে বন্দি। নামের ভুল থাকায় প্রয়োজনীয় নথী পত্র নিয়ে তাই হিয়ারিং সেন্টারে এলেন মা। তবে শামিককে এতদিন পর দেখে খুশি সকলে। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, শামিম ভালো ছেলে, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।