দু-দফার ভোটে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা এলাকায় বাইক চলাচলের উপর বিধি-নিষেধ জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। মেডিকেল এমার্জেন্সি, অ্যাপ নির্ভর বাইক, পারিবারিক অনুষ্ঠান, অফিস-কাছারিতে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এবং, কোথায়...
দু-দফার ভোটে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা এলাকায় বাইক চলাচলের উপর বিধি-নিষেধ জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। মেডিকেল এমার্জেন্সি, অ্যাপ নির্ভর বাইক, পারিবারিক অনুষ্ঠান, অফিস-কাছারিতে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এবং, কোথায় কখন কোন বাইকে চালক ছাড়াও সওয়ারি থাকবে বা না-থাকবে, তা-ও একেবারে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। পর্যবেক্ষক মহল থেকে শুরু করে নাগরিক সমাজের একটা বড় অংশ কমিশনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছিল। কারণ একটাই, প্রতিবার ভোটের সময়ে বাইক-বাহিনির তাণ্ডবের সঙ্গে তাঁরা পরিচিত।
যদিও, বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে একটি মামলা করা হয়। সেই মামলায় বাইকের উপর বিধি-নিষেধ নিয়ে কমিশনকে ভর্ৎসনা করে আদালত। এবং, শেষ অবধি বিধি-নিষেধ শিথিল করতে বাধ্য হয় কমিশন।
এমতাবস্থায়, কমিশন একটি ভিডিয়ো পোস্ট করল। যেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ও শোনা যাচ্ছে, রাতের দিকে কোনও এক তল্লাটে বাইক-বাহিনী হুমকি দিতে-দিতে চলে যাচ্ছে, "ভয়ঙ্কর খেলব ৪ তারিখ"। প্রসঙ্গত, ৪ মে ভোটের ফল গণনা। হুমকির উদ্দেশ্য খুব স্পষ্ট, দ্বিতীয় দফায় ভোট দিতে গেলে অথবা 'তাদের'কে ভোট না-দিলে ফল ঘোষণার পর ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে! বাইক বাহিনীকে আরও বলতে শোনা যায়, "খেলা হবে খেলা হবে। জয় বাংলা, জয় বাংলা"।
কমিশনের দাবি, শনিবার রাত ৯ টা ৫০ মিনিটের ওই ভিডিয়োটি ডায়মন্ড হারবার এলাকার অন্তর্গত। সিসিটিভি ফুটেজের উপর ভিত্তি করে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর করা হয়।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এফআইআর নিমিত্ত মাত্র, বাংলায় ভোটের আগে বাইক বাহিনী কীভাবে তাণ্ডব চালায়, এই ভিডিয়ো প্রকাশ করে কার্যত হাইকোর্টকেও বার্তা দিল কমিশন।