জীবনই হল সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। যেখান থেকে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু শিখে থাকি। কিন্তু সবকিছুর ঊর্দ্বে মৃত্যু। এবার সেই মৃত্যু শোককে হার মানাল নদিয়ার হরিণঘাটার স্বস্তিক। বাবার মৃতদেহ দাহ করার পর সা...
জীবনই হল সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। যেখান থেকে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু শিখে থাকি। কিন্তু সবকিছুর ঊর্দ্বে মৃত্যু। এবার সেই মৃত্যু শোককে হার মানাল নদিয়ার হরিণঘাটার স্বস্তিক। বাবার মৃতদেহ দাহ করার পর সাদা থান পরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে হল তাকে। ঘটনাটি ঘটেছে হরিণঘাটা পুরসভার আনন্দপুরে।
ঘটনা সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বস্তিক দাস, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। আনন্দপুর হাই স্কুলের কমার্সের স্টুডেন্ট। হরিণঘাটা পুরসভর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপুরের বাসিন্দা। তার বাবা সুদীপ দাসের গত ১৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার দাহকাজ সম্পন্ন হয়। আজ, শুক্র স্বস্তিক শুক্রবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে আসে বিরহী নেতাজি বিদ্যাভবনে।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে পিতৃহারা স্বস্তিক দাস। তার জীবনের বড় পরীক্ষা থেকে কিন্তু পিছু হাঁটলেন না। বুকে পাথর চাপা দিয়ে পরীক্ষা দিতে হাজির হয় সে। পরনে ধবধবে সাদা, ধরা কাঁধে নিয়ে পরীক্ষা হলে স্বস্তিক। এ যেন এক করুণ দৃশ্য। পিতৃহারা স্বস্তিক বাবাকে তো আর ফিরে পাবে না। তাই পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে চান না তিনি। তাই সশরীরে আজ পরীক্ষা হলে উপস্থিত হয় সে।