চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হয়েছেন। এরই মধ্যে ক্ষোভের আগ্নেয়গিরি তার লাভা উদগীরণ করতে শুরু করে দিয়েছে। মুখ খুলছেন টালিগঞ্জের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এমতাবস্থায় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র...
চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হয়েছেন। এরই মধ্যে ক্ষোভের আগ্নেয়গিরি তার লাভা উদগীরণ করতে শুরু করে দিয়েছে। মুখ খুলছেন টালিগঞ্জের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এমতাবস্থায় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর প্রশ্ন, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কথা বলায় যাঁরা রে-রে করে তেড়ে এসেছিলেন, তাঁদের কী হবে?
খুবই সঙ্গত প্রশ্ন। বামপন্থী এই অভিনেত্রীকে কম হেনস্থা হতে হয়নি। এমনকি, তাঁকে তাঁর বক্তব্য পর্যন্ত রাখতে দেওয়া হয়নি। কার্যত, স্টুডিয়ো পাড়ায় তাঁর প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়েছিল।
সিএন-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় শ্রীলেখা বলেন, "মানুষগুলো পরিবর্তিত না-হলে স্বরূপ বিশ্বাসরা থাকবেন। তোষামোদকারীরা আশপাশে থাকবেন। স্টুডিয়ো থেকে বের করে দেওয়া হল আমাকে, আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে। তখন আমার হয়ে যাঁরা বলেছিলেন, তাঁরা অত নামকরা লোক ছিলেন না। তাঁরা প্রতিবাদ করেছিলেন। আমার হাত থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, আমাকে কাঁদতে-কাঁদতে অপমানিত হয়ে বেরিয়ে যেতে হয়েছিল। আমি তো শুধু একটা লাইন বলেছিলাম। হারে-রে-রে করে তেড়ে এসেছিল সবাই। এই মানুষগুলোই তো স্বরূপ বিশ্বাসকে তৈরি করেছিলেন। স্বরূপ বিশ্বাস তো আর নিজে রে-রে করে আসেননি। ভোটের আগে আমি বলেছিলাম, স্বরূপ বিশ্বাসের আজ্ঞা অনুযায়ী টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর পাতা নড়ে। ওখানে দাঁড়িয়ে বলেছিলাম। আমাকে ভোটের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি। স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বলায় যাঁরা রে-রে করে তেড়ে এসেছিলেন, তাঁদের কী হবে?"
স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেফতারি নিয়ে অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তীর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া হল,
"আনন্দ পাচ্ছি না, রাগ হচ্ছে। ফেডারেশনের মাথায় বসেছিলেন এমন একজন, যাঁকে গ্রেফতার হতে হল। এটা বাইরের পৃথিবীর কাছে আমাদের লজ্জা। বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে যথেষ্ট সম্মানের সঙ্গে দেখত বাইরের জগৎ। তাঁদের চোখে আমরা নেমে গেলাম। এটা আমাদের লজ্জা। ফেডারেশনের মাথায় বলে যা খুশি করে পার পেয়ে যাবে না কেউ, এই ঘটনা (স্বরূপের গ্রেফতারি) থেকে এই শিক্ষা নিতে হবে।"