ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসকদলের ভাগ্য যখন সরু সুতোর উপর ঝুলছে, তখন খাস দমদমে, খোদ ব্রাত্য বসুর বিধানসভা কেন্দ্রে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে প্রকাশ্যে এল একটি ভিডিয়ো (ওই ভিডিয়োর সত্যত...
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসকদলের ভাগ্য যখন সরু সুতোর উপর ঝুলছে, তখন খাস দমদমে, খোদ ব্রাত্য বসুর বিধানসভা কেন্দ্রে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে প্রকাশ্যে এল একটি ভিডিয়ো (ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি সিএন ডিজিটাল)।
'নেত্রীকে জানাবো'
"(এই বিধানসভায় ) কারুকে পর্যবেক্ষক করার দরকার নেই। কর্মীরা এখানে ভালোই আছেন। খালি একটু ছত্রভঙ্গ হয়ে আছেন। একটু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন। অনেকগুলো গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছেন। আমার ভোটে আমি কোনও গোষ্ঠীবাজি মানবো না। আমি কোনও লবিবাজি মানব না। প্রত্যেকটা বুথে, প্রত্যেকটা পার্টে কী রেজাল্ট হয়েছে দেখবো। আইপ্যাকের থেকে রিপোর্ট নেবো। তারপর নেত্রীকে জানাবো"।
আগেও প্রকাশ্যে ব্রাত্যের ভিডিয়ো
পর্যবেক্ষকরা মনে করাচ্ছেন, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যখন রীতিমতো বিড়ম্বনায়, তখন ব্রাত্য বসুর একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। এবং, ভাইরাল হয়। সেখানেও, এক কর্মিসভায় রুদ্ধসঙ্গীতের নাট্যকার ব্রাত্য বসুকে নাটকীয় ভঙ্গিতে বলতে শোনা যায়, তাঁর দলের ছেলেরাও (শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মী হিসেবে) চাকরি পাবেন, কিন্তু কীভাবে পাবেন তা বলবেন না তিনি।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে যখন নিয়োগ দুর্নীতি হয়, তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারও আগে ব্রাত্য বসু কিছুদিন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ঠিকই। তবে, তাঁর মেয়াদকালে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি আজও। ফের যখন শিক্ষামন্ত্রী হন ব্রাত্য, তখনই এই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়। যদিও, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন প্রথম দফায় না দ্বিতীয় দফায় দলের কর্মীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি, তা এখনও স্পষ্ট নয়।