Calcutta Television Network

জেনে নিন, শত্রুদের থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কী কী করা উচিত?

এখনকার দিনে, মানুষের জীবনে শত্রুদের অভাব নেই। শত্রুদের জন্য অনেকে জীবনে আবার প্রতিষ্ঠিতও হয়ে উঠতে পারে না। কিন্তু, পৃথিবীতে সব নেগেটিভ জিনিস থেকে সমাধান পাওয়ার জন্য পজিটিভ পথ রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, শত্রুদের থেকে মুক্তি পেতে বেশ কিছু প্রতিকার বা টোটকা রয়েছে। এই প্রতিকারগুলো মূলত গ্রহের অবস্থান, দেব-দেবীর আরাধনা এবং কিছু বিশেষ উপাদানের ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে তৈরি।

শত্রু দমনের জন্য কিছু প্রচলিত জ্যোতিষ প্রতিকার নিচে দেওয়া হল:

হনুমানে আরাধনা: জ্যোতিষশাস্ত্রে হনুমানজিকে বিপদভঞ্জন ও শত্রুদের দমনকারী হিসেবে মনে করা হয়। প্রতি মঙ্গলবার হনুমান মন্দিরে গিয়ে হনুমান চাল্লিশা পাঠ করলে শত্রুর ভয় থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও, হনুমানজিকে সিঁদুর ও চামেলী তেল অর্পণ করা যেতে পারে।


শিবলিঙ্গে পূজা: প্রতি সোমবার শিবলিঙ্গে জল এবং বেলপাতা অর্পণ করে মহাদেবের পূজা করলে গ্রহের পীড়া এবং শত্রুদের থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। মহাদেবকে তুষ্ট করতে পারলে সব সমস্যার সমাধান হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

যজ্ঞডুমুরের ডাল: যজ্ঞডুমুরের চারটি ছোট ডাল গঙ্গাজল দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার জায়গায় রাখুন। এরপর শুদ্ধ বস্ত্র পরে এবং শুদ্ধ আসনে বসে 'শ্রীহনুমতে নমঃ' মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করুন। এরপর ডালগুলি শত্রুর বাড়ির কাছে পুঁতে দিলে শত্রু দমন হয় বলে মনে করা হয়।

কর্পূর ও লবঙ্গ: শনি বা মঙ্গলবার কিছু কর্পূর ও লবঙ্গ একসঙ্গে জ্বালিয়ে তার ছাই কপালে তিলক হিসেবে লাগালে শত্রুনাশ হয়।

শুকনো লঙ্কা: সাতটি শুকনো লঙ্কা ঘরের এক কোণে বেঁধে রাখলে বা গুরুত্বপূর্ণ কাজে বেরোনোর আগে পাঁচটি শুকনো লঙ্কার ওপর পা দিয়ে বেরোলে শত্রুর ভয় কমে এবং কাজে সাফল্য আসে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন।

রত্নধারণ: জ্যোতিষীর পরামর্শ অনুযায়ী, গোল্ডেন ক্যাটস আই ধারণ করলে শত্রুদের মোকাবিলা করার ক্ষমতা বাড়ে। তবে এই রত্ন ধারণ করার আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।


শেয়ার করুন