Calcutta Television Network

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ঋণ-লোন ও ধার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কী কী করা উচিত?

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে ঋণ, লোন বা ধার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিছু বিশেষ গ্রহসংক্রান্ত উপায় ও পূজার্চনা রয়েছে, যা নিয়মিত পালন করলে ধীরে ধীরে ঋণের বোঝা কমতে পারে। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, ঋণ বা ধার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিছু বিশেষ উপায় বা টোটকা রয়েছে। এই বিশ্বাস অনুসারে, গ্রহের অশুভ প্রভাব বা বাস্তু দোষের কারণেও আর্থিক সমস্যা এবং ঋণের বোঝা বাড়ে। 

হনুমানজির পুজো: মঙ্গলবার দিনটিকে ঋণের কারক গ্রহ মঙ্গলের দিন বলে মনে করা হয়। তাই এই দিনে হনুমানজির পূজা করলে আর্থিক সমস্যা দূর হয়। প্রতি মঙ্গলবার সকালে স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পরে 'ঋণ মোচক মঙ্গল স্তোত্র' পাঠ করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। সাতটি গোলাপ ফুলের মালা দিয়ে হনুমানজির পূজা করুন। সম্ভব হলে প্রতি মঙ্গলবার উপবাস করতে পারেন।

শিব এবং গণেশের আরাধনা: মহাদেব এবং গণেশকে সংকট মোচনকারী দেবতা হিসেবে ধরা হয়। প্রতিদিন গণেশের পুজো করুন এবং তাঁকে দূর্বা ঘাস নিবেদন করুন। এর পাশাপাশি, গণেশ অথর্বশীর্ষ পাঠ করতে পারেন। প্রতিদিন শিবলিঙ্গে কাঁচা দুধ নিবেদন করুন। বিশ্বাস করা হয়, এর ফলে ঋণের বোঝা ধীরে ধীরে কমে যায়। হলুদ ও সাদা পোশাক পরে শিব এবং গণেশের পূজা করা শুভ বলে মনে করা হয়। 

বাস্তুশাস্ত্রের নিয়ম: জ্যোতিষের পাশাপাশি বাস্তুশাস্ত্রেও কিছু নিয়ম রয়েছে যা ঋণ থেকে মুক্তি দিতে পারে। বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে বাথরুম তৈরি করা উচিত নয়, কারণ এটি ঋণের বোঝা বাড়ায়। ঋণের কিস্তি শোধ করার জন্য মঙ্গলবার দিনটি বেছে নেওয়া উচিত। মনে করা হয়, এই দিনে টাকা ফেরত দিলে ঋণ দ্রুত মিটে যায়। আপনার বাড়ি বা দোকানের উত্তর-পূর্ব দিকে কাঁচ লাগানো শুভ। তবে সেই কাঁচ লাল, সিঁদুর বা মেরুন রঙের হওয়া উচিত নয়।

অন্যান্য প্রতিকার: চিনি ও ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে পিঁপড়ের গর্তে বা গাছের নিচে ছড়িয়ে দিন। এই কাজটিও ঋণ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। আবার, একটি কাচের পাত্রে সাতটি লবঙ্গ, সাতটি কয়েন এবং অল্প চিনি রেখে হনুমানজির মূর্তির সামনে টানা ২১ দিন রাখুন। এটি ঋণের বোঝা কমাতে সাহায্য করে।

শেয়ার করুন