Calcutta Television Network

জেনে নিন জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যেকোনো বিপদ থেকে মুক্তি পেতে গেলে কী কি করা উচিত?

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, জীবনের বিভিন্ন সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে গেলে কিছু গ্রহসংক্রান্ত প্রতিকার, পূজার্চনা, এবং বাস্তুশাস্ত্রের নিয়ম অনুসরণ করা হয়। জীবনের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অনেক ধরনের প্রতিকার বা টোটকা রয়েছে। এই প্রতিকারগুলো মূলত গ্রহের অশুভ প্রভাব কাটানোর জন্য এবং শুভ শক্তিকে আকর্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। তবে মনে রাখা জরুরি, এই প্রতিকারগুলো কেবল বিশ্বাস ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলে ফল পাওয়া যায়। 

জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রতিটি সমস্যার কারণ কোনো না কোনো গ্রহের অশুভ অবস্থান বলে মনে করা হয়। তাই সেই নির্দিষ্ট গ্রহকে শান্ত করার জন্য বিভিন্ন প্রতিকার করা হয়।

শনি: শনিদেবের দোষ কাটাতে শনিবার সন্ধ্যায় সরিষার তেলের প্রদীপ জ্বালানো, শনি মন্দিরে তেল বা কালো তিল দান করা, বা শনি চালিশা পাঠ করা যেতে পারে।

রাহু-কেতু: এই দুই অশুভ গ্রহের প্রভাব কমাতে দেবী দুর্গা বা হনুমান জির পূজা করা হয়। এছাড়া কুকুরকে রুটি খাওয়ানো বা গরীব দুঃখীকে দান করাও শুভ বলে মনে করা হয়।

বৃহস্পতি: জীবনের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে এবং সৌভাগ্য বাড়াতে প্রতিদিন স্নানের জলে সামান্য হলুদ মিশিয়ে স্নান করা উপকারী।

চন্দ্র: মানসিক শান্তি এবং অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে সোমবার উপবাস করা এবং মহাদেবের পূজা করা ভালো। 

সাধারণ কিছু প্রতিকার:-

দান: কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দান করাকে একটি শক্তিশালী উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি গ্রহের অশুভ প্রভাবকে কমাতে সাহায্য করে

পূজা ও মন্ত্র জপ: নিয়মিত আপনার ইষ্টদেবতার পূজা করা এবং মন্ত্র জপ করা মনকে শান্ত করে ও ইতিবাচক শক্তি বাড়ায়। যেমন: হনুমান চালিশা, শিব চালিশা, বা গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ করা।

স্নানের সময় নুন ব্যবহার: জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, স্নানের জলে সামান্য নুন মিশিয়ে স্নান করলে সারাদিনের নেতিবাচক শক্তি দূর হয়।

রত্ন ধারণ: জন্মছক বা কোষ্ঠী বিচার করে উপযুক্ত রত্ন ধারণ করাও একটি প্রচলিত প্রতিকার। এটি নির্দিষ্ট গ্রহের শক্তিকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।


শেয়ার করুন