এভিওনিক্স বলতে বোঝায় মিসাইলের অভ্যন্তরীণ ইলেকট্রনিক সিস্টেম—নেভিগেশন, কন্ট্রোল, সেন্সর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে স্টার টার্গেট মিসাইলের ইলেকট্রনিক্স কঠিন পরিবেশেও নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে সক্ষম। বিশেষ করে উচ্চ তাপমাত্রা, কম্পন এবং চাপের পরিস্থিতিতে সিস্টেমের স্থায়িত্ব যাচাই করা হয়েছে।
স্টার টার্গেট মিসাইল মূলত পরীক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন প্রতিরক্ষা প্রকল্পে ব্যবহৃত হবে, যেমন—নতুন রাডার সিস্টেম, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিমানবাহিনীর অস্ত্র পরীক্ষায়। এই মিসাইলের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত পরিস্থিতিতে টার্গেট সিমুলেশন করা সম্ভব হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সাফল্য ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণায় এক বড় পদক্ষেপ। কারণ এভিওনিক্সই মিসাইলের “মস্তিষ্ক”। এটি ব্যর্থ হলে পুরো অস্ত্র ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ে। তাই এভিওনিক্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া মানে প্রকল্পটি এখন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
DRDO ইতিমধ্যেই হাইপারসনিক প্রযুক্তি, অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম এবং উন্নত রাডার প্রকল্পে কাজ করছে। স্টার টার্গেট মিসাইল সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। এটি শুধু প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ভারতের আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা উদ্যোগের প্রতিফলন।
সর্বোপরি, স্টার টার্গেট মিসাইলের এভিওনিক্স পরীক্ষায় সাফল্য দেখাচ্ছে যে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা এখন বিশ্বমানের সঙ্গে পাল্লা দিতে সক্ষম। আগামী দিনে এই মিসাইল বিভিন্ন পরীক্ষামূলক প্রকল্পে ব্যবহৃত হবে এবং ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
#DRDO #StarTargetMissile #Avionics #DefenseTech #BreakingNews