১৮ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন Russia sanctions legislation-এ সই করেছেন। এই আইনের অধীনে রাশিয়ার বড় তেল ও গ্যাস ক্রেতা দেশগুলির উপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের হাতে এসেছে। ভারত ও চিন এই ব্যবস্থার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলির মধ্যে রয়েছে। তবে ভারতের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক এখনই কার্যকর হয়ে যায়নি—এটি প্রেসিডেন্টের হাতে দেওয়া একটি ক্ষমতা।
কিন্তু একই আইনে রাশিয়ার civilian nuclear sector-এর সঙ্গে কিছু লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ও waiver-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর পেছনে একটি বাস্তব কারণ রয়েছে। মার্কিন পারমাণবিক বিদ্যুৎ শিল্প এখনও রাশিয়ার uranium mining ও enrichment supply chain-এর সঙ্গে যুক্ত। ২০২৫ সালে মার্কিন nuclear operators-এর বিদেশি uranium enrichment services-এর প্রায় ২৬ শতাংশ রাশিয়া থেকে এসেছিল।
অর্থাৎ Washington-এর অবস্থানকে একেবারে সরল “রাশিয়ার সঙ্গে কোনও বাণিজ্য নয়” নীতি হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। বরং কোন রুশ পণ্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন ক্ষেত্রে আমেরিকার নিজের অর্থনীতি বা নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—তার ভিত্তিতে আলাদা নীতি নেওয়া হচ্ছে।
এখানেই ভারতের প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের জন্য crude oil কোনও বিলাসবহুল পণ্য নয়; এটি দেশের পরিবহন, শিল্প এবং অর্থনীতির মৌলিক জ্বালানি। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ oil importer এবং রাশিয়া তার গুরুত্বপূর্ণ crude suppliers-এর একটি। ফলে রুশ তেল হঠাৎ কমিয়ে দিলে বিকল্প উৎস থেকে বেশি দামে crude আমদানির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে বর্তমান বিশ্ব জ্বালানি বাজারে সরবরাহের চাপ থাকলে। Reuters-ও উল্লেখ করেছে যে ভারত নতুন মার্কিন tariff ব্যবস্থা নিয়ে Washington-এর সঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং energy security-কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
অন্যদিকে আমেরিকার nuclear sector-ও রুশ uranium-এর উপর নির্দিষ্ট মাত্রায় নির্ভরশীল। ফলে Washington নিজস্ব supply chain-এর বাস্তবতা বিবেচনা করে uranium-এর ক্ষেত্রে নমনীয়তা রাখছে।
এখানে ভারতের বক্তব্যের ভিত্তি তাই শুধু রাজনৈতিক প্রতিবাদ নয়; একই ধরনের energy security concern-এর ক্ষেত্রে কেন বিভিন্ন দেশের জন্য ভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োগ করা হচ্ছে—সেই প্রশ্নও রয়েছে।
তবে ভারতের ক্ষেত্রেও বাস্তবতা জটিল। রুশ তেল কেনা অব্যাহত রাখার ফলে যদি মার্কিন শুল্ক বাড়ে, তাহলে ভারতীয় রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবার রুশ crude দ্রুত বাদ দিলে দেশের refinery economics এবং আমদানি ব্যয়েও চাপ পড়তে পারে।
তাই সামনে ভারতের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হল—রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি সম্পর্ক বজায় রাখা, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রক্ষা করা এবং একই সঙ্গে দেশের energy security নিশ্চিত করা।
রুশ uranium নিয়ে আমেরিকার নিজস্ব ব্যতিক্রম অবশ্যই এই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি শুধু “কে কাকে দ্বিচারিতা করছে” তার প্রশ্ন নয়; এটি আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে কৌশলগত প্রয়োজন বনাম রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞার দ্বৈত মানদণ্ড নিয়ে একটি বৃহত্তর বিতর্ক।
#India #USA #Russia #RussianOil #RussianUranium #Trump #IndiaUS #EnergySecurity #Tariffs #Geopolitics