রাশিচক্রের ১২টা রাশির মধ্যে ২তম রাশি হল বৃষ রাশি। এই রাশি একটি পৃথিবী উপাদান বিশিষ্ট রাশি, যার অধিপতি গ্রহ শুক্র। এই রাশির জাতকরা সাধারণত স্থিতিশীল, ধৈর্যশীল এবং সৌন্দর্যপ্রেমী হন। রাশি চক্রের প্রতিটা রাশির ধরন আলাদা বলে, বাস্তব সমাজে কারোর গুণই কারোর সঙ্গে কোনো মিল নেই। এক কথায় বলতে গেলে, সবাই নিজ নিজ স্থানে থেকে সেরা। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, বৃষ রাশির মানুষেরা কেমন প্রকৃতির হয়? প্রাথমিকভাবে, এই রাশির ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য বলতে এঁরা খুব ধৈর্যশীল প্রকৃতির হয়। সময় নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসে, তাড়াহুড়ো নয়। এই রাশির জাতকেরা খুবই বিশ্বাসযোগ্য হন। এঁরা সুন্দরের প্রতি আগ্রহী হন। এঁরা যেকোনো কিছুতে স্থিতিশীলতা পছন্দ করে এবং ভীষণ পরিশ্রমী হন।
অন্যদিকে, এই রাশির নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য বলতে এঁরা প্রায় সব কিছুতেই একগুঁয়ে হন। অনেকটা "জেদি" বলা যায়। এই জাতকের ব্যক্তিদের অতিরিক্ত বস্তুপ্রীতি অর্থাৎ বেশ আরাম-আয়েশ বা বস্তুগত জিনিসে অতিরিক্ত আকর্ষণ থাকতে পারে। এঁরা খুব ধীরগতি প্রকৃতির হয়। প্রেম কিংবা যেকোনো সম্পর্কে বৃষ রাশির মানুষ প্রেমে খুব নিবেদিত, নিরাপত্তা ও স্থায়ী সম্পর্ক চায়। এঁরা সঙ্গীর প্রতি যত্নশীল এবং আন্তরিকভাবে ভালোবাসতে জানে। বৃষ রাশির মানুষরা যদি তাদের এই ধৈর্য ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে সংবেদনশীলতা ও নমনীয়তার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন, তাহলে জীবনের সব ক্ষেত্রেই ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন।
বিবাহের দিক থেকে দেখতে গেলে কন্যার সঙ্গে বিয়ে হলে সম্পর্ক খুব মজবুত হয়। কারণ, উভয় রাশিই বাস্তববাদী, পরিশ্রমী, এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো হয়।মকর-এর সঙ্গে বিয়ে হলে সম্পর্ক খুব মজবুত হয়। কারণ, স্থিরচরিত্র ও উচ্চাভিলাষী। এক কথায়, বৃষের নিরাপত্তাবোধ ও মকরের লক্ষ্যনিবদ্ধতা একে অন্যকে পরিপূরক করে।মীন-এর সঙ্গে বিয়ে হলে সম্পর্ক খুব মজবুত হয়। কারণ, বৃষের স্থায়িত্ব ও মীনের আবেগপূর্ণ, কল্পনাশ্রয়ী মন হয়। এই দুজন মিলে গড়ে তোলে এক নরম অথচ শক্ত সম্পর্ক। কর্কট-এর সঙ্গে বিয়ে হলে সম্পর্ক খুব মজবুত হয়। কারণ, পরিবারমুখী ও অনুভূতির জায়গায় মিল। বৃষের শান্তি ও কর্কটের যত্নশীলতায় সংসার সুখকর হয়ে ওঠে।