সুস্মৃতি দাস: নীলমনি ঠাকুর ছিলেন জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ির অন্যতম আদিপুরুষ। যিনি ছিলেন জয়রাম ঠাকুরের পুত্র। তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে চাকরি গ্রহণ করেন এবং উড়িষ্যার কালেক্টর এর সেরেস্তাদার হয়ে উড়িষ্যা যান। সেখান থেকে যে অর্থ তিনি উপার্জন করতেন তা তিনি কলকাতায় তার ভাই দার্পনারায়ণের কাছে পাঠাতেন। পরবর্তীতে নীলমনি ও দর্পনারায়ণ এর মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে গোলযোগ দেখা দিলে নীলমনি ঠাকুর পাথুরিঘাটার বাড়ি ত্যাগ করে মেছুয়া বাজার অঞ্চলে বসবাস করতে শুরু করেন। এই সময় বৈষ্ণব চরন শেঠ এক বিঘা জমি নীলমনিকে দান করেছিলেন।
প্রথমে এই জমিতে নীলমনি ঠাকুর একটা আটচালা বেঁধে বাস করতে শুরু করেন। পরে সেখানে তিনি পাকা বাড়ি নির্মাণ করেন এবং জোড়া সাঁকো ঠাকুর বাড়ির পত্তন করেন।সেই কারণে তাঁকে জোড়া সাঁকো ঠাকুর বাড়ির অন্যতম আদি পুরুষ বলা হয়। তিনি ১৭৮৪ সালে সেখানে দূর্গা পূজার প্রবর্তন করেন। নীলমনি ঠাকুরের কয়টি পুত্র ছিল তা নিয়ে কিন্তু মতভেদ আছে। কেউ মনে করেন তাঁর পাঁচ পুত্র ছিল। আবার ব্যোমকেশ মুস্তাফির মতে তাঁর তিনটি পুত্র ও একটি কন্যা ছিল। তাঁরা কে ছিলেন এবং দ্বারকানাথ ঠাকুরের জন্ম বৃত্তান্তের গল্প নিয়ে আসছি আগামী পর্বে।