পুরনো জামা কাপড় দিয়ে ঘর মোছা, এই দৃশ্যটা প্রতিটা মধ্যবিত্ত বাড়িতেই দেখতে পাওয়া যায়। ছেঁড়া গেঞ্জি থেকে শুরু করে ফাটা প্যান্ট, এমন ধরনের পোশাকই ন্যাতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আবার কেউ কেউ এমনও রয়েছেন যারা পুরনো শাড়ি দিয়ে কোন কিছু ঢেকে রাখেন। কারোর কারোর মতে এইভাবেই নাকি নতুন জিনিস না কিনে টাকা সঞ্চয় করা যেতে পারে। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এমন ফাটা ছেঁড়া জামা-প্যান্ট ব্যবহার করা আদৌ কি ভালো? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র?
বাস্তুশাস্ত্র মতে, ঘর পরিষ্কার করার থেকে শুরু করে ধুলো-ময়লা সরানো, প্রায় সবকিছু জড়িয়ে রয়েছে ঘরের শক্তির প্রভাব। জানা যাচ্ছে, বিশেষ করে কেউ যদি দীর্ঘদিন ব্যবহৃত পুরনো জামাকাপড় দিয়ে ঘর মোছার কাজ করেন তাহলে তাতে নেতিবাচক শক্তি পুরো ঘর জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশেষ করে কোন ব্যক্তির অসুস্থ অবস্থায় জামাকাপড়, মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাওয়া কোন ব্যক্তির জামাকাপড় কিংবা দুঃখের সময়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়া এমন কোন ব্যক্তির জামা কাপড় দিয়ে ঘর মুছলে সেই বাড়ির পরিবেশ ভারী হয়ে উঠতে পারে। এর ফলে, পরিবারের সদস্যদের কাজের অমনোযোগী হয়ে ওঠা বাড়ির মধ্যে সর্বদাই ছোটখাটো অশান্তি লেগে থাকা কিংবা মন খারাপের মতন বিষয়ও ঘটতে পারে।
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘর মোছার যে কাপড় ব্যবহার করা হয় তার রংও নাকি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জানা যাচ্ছে, কেউ যদি গাঢ় বা কালচে রঙের পুরোনো কাপড় ব্যবহার করে তাহলে নেতিবাচক শক্তি সংসারে বেশি আকর্ষিত হয়। আবার, নোংরা কাপড় বা খুব পুরোনো কাপড় ব্যবহার করলেও ঘরের পবিত্রতা নষ্ট হতে পারে বলে মনে করা হয়।