কথায় আছে, একই পাতে খাবার খেলে নাকি ভালোবাসা বাড়ে। প্রসঙ্গত আগেকার দিনের সময় থেকে এই খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে নানান ধরনের নিয়মকানুন রয়েছে। এদিকে আবার বাস্তুশাস্ত্র বলছে, আমাদের চারিপাশ থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটা খাবারের গভীর প্রভাব রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে রান্না থেকে শুরু করে খাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে বাস্তুশাস্ত্র মেনে চললে জীবনের নানান সমস্যা দূর হতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক খাওয়ার সময় কোন কোন নিয়ম মেনে চলা উচিত?
অনেক স্বামী-স্ত্রী আছেন যাঁরা একই থালাতে ভাগাভাগি করে খান। কিন্তু, এই বিয়ে বাস্তুশাস্ত্র বলছে স্বামীকে পরিবারের কিংবা বাড়ির কোনো সর্বোচ্চ বয়স্ক পুরুষকে কর্তা হিসেবে মনে করা হয়। জানা যাচ্ছে, স্বামী-স্ত্রী খাবার ভাগাভাগি করে খেলে নাকি পরিবারের সদস্যদের অবহেলা করা হয় বলে মনে করা হয়। এর ফলে বাড়িতে কলহ বাড়তে পারে। এমনকি বাড়ির সদস্যদের মধ্যে বৈষম্যের সৃষ্টি হতে পারে। ঘরে নেতিবাচকতা বাড়তে শুরু করে।
অন্যদিকে, আবার এমন অনেকে রয়েছেন যারা টিভি দেখে খাবার খাওয়ার জন্য বিছানা কিংবা সোফাতে বসে খাবার খায়। কিন্তু, বাস্তুশাস্ত্র বলছে, এমনভাবে খাবার খেলে নাকি নেতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে পরে। বাস্তু বলছে, খাবারকে প্রসাদ হিসাবে দেখা উচিত। এমনকি, সেই প্রসাদ আবার ঈশ্বরকে নিবেদন করা যেতে পারে। তাই খাবারের জায়গায় বসে সম্মানের সঙ্গে খাবার খাওয়া উচিত। বিছানায় বসে খাবার খাওয়া উচিত নয়।