আজ আলোচনা করব তুলা রাশির সাড়েসাতি নিয়ে। সাড়েসাতির তিনটি চরণ বা পর্ব (Phase)থাকে। এক এক চরণে এক এক উপায় অবলম্বন করতে হয়। কোন চরণে কি উপায় অবলম্বন করলে শনির অশুভ প্রভাব কমে সেটা নিয়েই আলোচনা করব। তার আগে জানব,
সাড়েসাতি কি? আগেই বলেছি শনি গ্রহ হরোস্কোপের বারটি রাশিকে পরিক্রমা করতে সময় লাগে ত্রিশ বছর। সেই অনুযায়ী প্রতি ঘরে শনির অবস্থান কাল 2-1/2 আড়াই বছর অর্থাৎ ২-১/২ X ১২ = ৩০ বছর। শনি যখন কোন রাশির পূর্বের ঘরে অবস্থান করে সেই সময় থেকেই শুরু হয় সেই রাশির সাড়েসাতি। এই সময়কে বলে শনির প্রথম চরণ,রাশির উপর যখন শনি অবস্থান সেটাকে বলে দ্বিতীয় চরণ,রাশির পরের ঘরে অনস্থান করলে সেটা হল তৃতীয় চরণ। প্রতি ঘরে আড়াই বছর করে শনি অবস্থান করলে তিনটি ঘর মিলে হয় সাড়ে সাত বছর, তাই এই সময় কালকে বলে শনির সাড়েসাতি।
প্রথম চরণঃ (১ম আড়াই বছর) শনির সাড়েসাতি প্রথম চরণে প্রভাবী হলে নিম্নে উল্লেখিত উপাচার করলে সুফল পেতে পারেন
১) ঝুনো নারকেল নদীর স্রোতে ভাসিয়ে দিন।
২) নিয়ম করে হনুমান চলিসা পাঠ করুন।
৩) ঘোড়ার নালের আংটি মধ্যমা আঙ্গুলে ধারণ করুন।
৪) প্রতিদিন সকালে কাক কে রুটি খাওয়ান।
৫) মেঝেতে বসে রাতের আহার সারুন।
দ্বিতীয় চরণঃ (২য় আড়াই বছর) শনির সাড়েসাতি দ্বিতীয় চরণে প্রভাবী হলে নিম্নে উল্লেখিত উপাচার করলে সুফল পেতে পারেন।
১) কালো কুকুরের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলুন। (বাড়িতে পুষতেও পারেন)
২) গাঢ় নীল ও কালো রঙের পোশাক পরিহার করুন।
৩) স্নানের পর মেটে সিঁদুরের টিকা পরুন।
৪) ভোজন বিলাসী হবেন না।
৫) খাবারের শুরুতে গরম ভাতে এক চামচ ঘি খান।
তৃতীয় চরণঃ (৩য় আড়াই বছর) শনির সাড়েসাতি তৃতীয় চরণে প্রভাবী হলে নিম্নে উল্লেখিত উপাচার করলে সুফল পেতে পারেন।
১) পাকা তেঁতুল খাবেন না, দান করুন।
২) কালো কলাই মন্দিরে দান করুন।
৩) কালো তিল সন্ধ্যার সময় বাড়ির পশ্চিম দিকে ছড়িয় দেবেন।
৪) প্রতি শনিবার সর্ষের তেলের মাটির প্রদীপ জ্বালান।
৫) খারাপ যন্ত্রাংশ সারিয়ে নিন অথবা বর্জন করুন।