একটি দেশ ও একটি জাতির অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হল শিক্ষা। অর্থাৎ বলা যেতে পারে, একটা জাতির সোজা হয়ে দাঁড়াতে যেমন মেরুদন্ড প্রয়োজন, ঠিক তেমনই তাঁর আবার অগ্রগতি, উন্নয়ন ও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে শিক্ষার প্রয়োজন, তাই 'শিক্ষাই যেন মানুষের মেরুদন্ড'। সেই জন্যই, যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত, সেই জাতি তত বেশি উন্নত ও সভ্য। তাই তো কথায় আছে ,'শিক্ষার শেকড়ের স্বাদ তেঁতো হলেও এর ফল মিষ্টি'।
বইয়ের পাতা উল্টে যদি একটু পেছনে আসা যায় অর্থাৎ ইতিহাসে ঢোকা যায় তাহলে সেখানেও কিন্তু আমরা লিপির ব্যবহার পাবো। বস্তুতঃ প্রাচীন ঐতিহাসিক হস্তলিখিত চর্চা। এই বিষয়ের মধ্যে বহু বিষয় অর্ন্তভুক্ত। যেমন প্রাচীন লিপিসমূহের পাঠোদ্বার ও পঠন-পাঠন, লিপির অক্ষরাবলির স্বরুপ বিচারপূর্বক লিপি বির্বতনের ইতিহাস পুর্নগঠন, লিখন শৈলীর সাংস্কৃতিক প্রসঙ্গ নির্ণয় ইত্যাদি। ভারতবর্ষে লিপিতত্ত্বচর্চার ইতিহাস লিখতে গেলে প্রথমেই যে লিপির কথা আসে সেটি হল আদি ব্রাহ্মী লিপি। এর থেকে বোঝা যায় যে,সেই সময়কার মানুষও বুঝেছিল শিক্ষাব্যবস্থা যদি না থাকত তাহলে সমাজের আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, ব্যবসা-বানিজ্য এমনকি উন্নত হওয়ার দিক থেকে অগ্রসর হওয়া যেত না। সেইজন্যই তো মানুষ গুহা ছেড়ে বাড়িতে থাকা আর কাঁচা মাংস ছেড়ে রান্না করা খাবার খেতে শিখেছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে শিক্ষার পথে হেঁটে। তাই তো রবীন্দ্রনাথের একটা কথা খুব মনে পড়ছে, "মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা"।
শিক্ষা মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার। আমাদের দেশে ৫টি মৌলিক অধিকারের কথা আছে, তার মধ্যে শিক্ষাও একটা অধিকার। শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা সার্বজনীন। একজন মানুষের প্রকৃত মানবিক ও সামাজিক গুনাবলি সম্পন্ন ব্যক্তি হতে শিক্ষাই সাহায্য করে। শিক্ষার প্রভাব আমাদের কাছে অনেকটা জ্বলন্ত প্রদীপের মতো। প্রদীপ যেমন তার আলো দিয়ে চারিদিক আলোকিত করে তোলে, ঠিক তেমনই একজন শিক্ষিত ব্যক্তি তাঁর শিক্ষা দিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকেও আলেকিত করে তোলে।
শিক্ষাই হল আপনার জীবনের প্রধান সম্পদ, আর আপনি হলেন দেশের ভবিষ্যত। তাই তো ভালো করে পড়াশুনা করে নিজেদের অগ্রগতি করার সাথে সাথে দেশকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তাই চলুন না জীবনের প্রধান সম্পদকে ভালো করে পেতে, ভালো করে শিখতে CTVN-এর 'EDUCATION PROGRAM' দেখতে শুরু করি।