পশ্চিমবঙ্গের প্রসিদ্ধ কালী মন্দিরগুলির মধ্যে নৈহাটির বড়মা অত্যন্ত পরিচিত। স্থানীয়রা বড় কালী ঠাকুরকে ‘বড়মা’ নামে ডাকে। প্রতিদিনই এই মন্দিরে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে অমাবস্যা তিথিতে, এবং কালীপুজোর সময় মন্দিরের পাশে ভক্তদের ঢল দেখা যায়।
‘ধর্ম হোক যার যার, বড়মা সবার’—এই বিশ্বাস দিয়ে এখানে হাজার হাজার ভক্ত বড়মার পুজো দেন। অনেকে মনোকামনা পূরণের জন্য গঙ্গাস্নান করে প্যান্ডেলে দণ্ডি কাটেন, শুধু বড়মাকে দর্শন করার জন্য।
কালীপুজোর পরে, ২৪ অক্টোবর বড়মার প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। বার্ষিক পুজোর প্রস্তুতির কারণে ১৮ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মন্দির বন্ধ থাকে।
২৬ অক্টোবর থেকে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী মন্দিরে পুজো দেওয়া যাবে। প্রসাদ গ্রহণের ব্যবস্থা ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর বন্ধ থাকে। ৩ নভেম্বর থেকে পুনরায় শুরু হবে।
বড়মার মন্দিরে বার্ষিক পুজো কালীপুজোর পর অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ে মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজ চলে। মন্দির রং হয় এবং মায়ের অঙ্গরাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
২৯ অক্টোবর বড়মার মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস, এই দিন মা বড়মার প্রতিষ্ঠা পুজো হয়।
বড়মার বার্ষিক পুজো শুধু ধর্মীয় আচারই নয়, বরং ভক্তদের জন্য এক সংস্কৃতি ও ভক্তিভরা উৎসব। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা এ মন্দিরে এসে মা বড়মার আশীর্বাদ লাভ করেন।