ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী- ২০২০ সালের ৫ই আগষ্ট রামমন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান করেন। ২০২৪ সালের, ২২শে জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়। প্রাচীন মহাকাব্য রামায়ন অনুযায়ী শ্রীরাম অযোধ্যায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বাবর ১৬তম শতাব্দীতে সমগ্র উত্তর ভারত জুড়ে মন্দির আক্রমনের মধ্যে এই মন্দিরটিও ধ্বংস করে। পরে মুঘলরা বাবরি মসজিদ নির্মান করে যা রামের জন্মস্থান বলে মনে করা হয়।
রামমন্দিরটি বর্তমানে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র দ্বারা তত্ত্বাবধান করা হয়। ২০২৪ সালের ২২শে জানুয়ারি রামলালার প্রতিষ্ঠার, মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়। আজ ২০২৫ সালের ২২ শে জানুয়ারি হলো রাম মন্দিরের 'বর্ষপূর্তি। এই রাম মন্দির চত্বরে "শিব, দুর্গা, গনেশ, বিষ্ণু, ব্রহ্মার মন্দির" অন্তভুক্ত করা হয়েছে। বাবরের মসজিদ উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যা শহরের রামকোট পাহাড়ে অবস্থিত ছিল। যা হিন্দুধর্মের দেবতা রামের অনুকল্পিত জন্মভূমি রাম জন্মভূমিতে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। এটি ১৮ শতক থেকেই হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছিল যা অযোধ্যা বিবাদ নামে পরিচিত।
মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে সেনাপতি মীর বাকি ১৫২৮-২৯ সালে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করে। ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এই মসজিদটি ৯৩৫ হিজরি সালে নির্মিত হয়েছিল। বাবরি মসজিদ নির্মানের পর থেকেই হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। ১৯৯২ সালের, ৬ই ডিসেম্বর, কর্মীরা বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে। হিন্দু জাতিয়তাবাদী গোষ্ঠীর কর্মীরা বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে। ২২শে জানুয়ারি, খুব কম লোকই দিনটা ভুলতে পারে। ২০২৪ সালের এই তারিখ অযোধ্যার রামমন্দিরে, রামলালার মুর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। সমস্ত হিন্দুরা তাদের প্রাণের দেবতাকে পূজার্চনার দ্বারা নিজের মনকে শুদ্ধ করে এবং শ্রীরামের আশীর্বাদ প্রার্থনা করে।