'দেশের বিমান পরিষেবা এখন অনেকটাই স্বাভাবিক।' সম্প্রতি এমনই জানান হয়েছে ভারতের বিমান মন্ত্রকের তরফ থেকে। দশ হাজার বছর পর আচমকাই জেগে উঠেছে ইথিওপিয়ার 'হেলি গুব্বি' আগ্নেয়গিরি। আবহাওয়াবিদরা আগেই জানিয়েছি...
'দেশের বিমান পরিষেবা এখন অনেকটাই স্বাভাবিক।' সম্প্রতি এমনই জানান হয়েছে ভারতের বিমান মন্ত্রকের তরফ থেকে। দশ হাজার বছর পর আচমকাই জেগে উঠেছে ইথিওপিয়ার 'হেলি গুব্বি' আগ্নেয়গিরি। আবহাওয়াবিদরা আগেই জানিয়েছিলেন, 'দিল্লি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের ছাই ক্রমশ উত্তর-পূর্বেও দিকে ভেসে যাচ্ছে। তবে ওয়াকিবহল মহলের মতে, এর জেরে ব্যাপকভাবে উড়ান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি সমস্ত রকম বিপদের পরিস্থিতি এড়াতে দেশের বিমানগুলির জন্য চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এই আবহে আগ্নেয়গিরির বিষাক্ত ছাই ক্রমশ ভারতের আকশসীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি অসামরিক বিমান মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। যেখানে জানানো হয়েছে, 'গোটা ভারতের সামগ্রিক বিমান পরিষেবা বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক। সেভাবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। গত মঙ্গলবার রাতে বেশ কয়েকটি বিমানের যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হলেও আপাতত তা স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। এই মুহূর্তে সমস্ত রকম পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকটাও মাথায় রাখতে হবে।'
প্রসঙ্গত, দশ হাজার বছর পর আচমকাই জেগে উঠেছে সেই আগ্নেয়গিরি। এমন ঐতিহাসিক ঘটনায় শুরু হয় ভয়ঙ্কর অগ্ন্যুৎপাত। যার ফলে ওই এলাকার কয়েক শো কিলোমিটারের মধ্যে দিয়ে যাতে যান চলাচলে কোনও বিপদ না ঘটে, তা নিয়ে নজর রাখা হচ্ছে। এমন ঘটনায় বিশ্বের নানা প্রান্তে উড়ান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ছাই দিল্লিতে এসে পৌঁছতেই সমস্ত বিমানের জন্য জারি করা হয় হাই অ্যালার্ট।' কারণ প্রতি মুহূর্তে বিপদের আশঙ্কা বর্তমান। এমনকি সেই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই গত সোমবার কুন্নুর থেকে আবুধাবিগামী ইন্ডিগোর একটি বিমানকে ঘুরিয়ে তড়িঘড়ি আহমেদাবাদের বিমানবন্দরে অবতরণ করা হয়েছিল। যাত্রীরা সবাই সুরক্ষিত ও নিরাপদেই আছেন বলেই জানা গিয়েছে।