রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারতের উপর চড়াহারে শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। দুই দফায় ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক রূপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যার জেরে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক বর্তমানে অনেকটাই তলানিতে। এই আবহে ...
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারতের উপর চড়াহারে শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। দুই দফায় ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক রূপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যার জেরে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক বর্তমানে অনেকটাই তলানিতে। এই আবহে ভারত সফরে এসেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যা খুব একটি ভালো চোখে নেয়নি আমেরিকা। এমনই মত কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশের! সূত্রের খবর, এই আবহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বার্তা, 'বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গেই বরাবরই সুসম্পর্ক বজায় রাখে ভারত। আমি বলছি, এতে করে বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত হবে। নয়াদিল্লি তথা ভারতের যে বিশেষ কৌশলগত স্বাধীনতা রয়েছে সেখানে আমেরিকা এমনকি অন্য কোনও দেশ বাধা দিতে পারে না।'
জানা গিয়েছে, 'বন্ধু' পুতিনের ভূয়সী প্রশংসা করে মোদী আগেই স্পষ্ট জানিয়েছেন, যুদ্ধের আবহে বা যুদ্ধের ক্ষেত্রে ভারত একদমই নিরপেক্ষ নয়। অবশ্যই শান্তির পক্ষে।' সেই সঙ্গে হায়দরাবাদ হাউসে মোদীর সঙ্গে বৈঠক করে পুতিন জানিয়েছেন, 'আমি বলছি মস্কো-নয়াদিল্লির সম্পর্ক বরাবরই ভালো ছিল, আছে এবং থাকবে।' পাশাপাশি পুতিনের ভারত সফরের সময়েই নয়াদিল্লি এবং মস্কোর যৌথ বিবৃতি, 'রাশিয়ার তৈরি বেশিরভাগ অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যা আছে সেসব রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যে যে প্রযুক্তির প্রয়োজন এমনকি যে সমস্ত পার্টসের দরকার এবার থেকে তা তৈরি করবে ভারত। দুই দেশই এমন পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সম্মত হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, 'মোদীর সঙ্গে আমার বরাবরই খুবই বিশ্বস্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, আছে এবং থাকবেও। ভারত সত্যিই খুবই ভাগ্যবান। কারণ নরেন্দ্র মোদীর মতন একজন নেতাকে পেয়েছে ভারত। আগামী দিনে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।'