দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নয়া মোড়! জানা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি বুরহান ওয়ানির। তারই প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত তথা ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এ...
দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নয়া মোড়! জানা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে সেনার গুলিতে মৃত্যু হয় হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি বুরহান ওয়ানির। তারই প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত তথা ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এর অন্যতম সদস্য তথা চিকিৎসক উমর-উন-নবি। তদন্তে এমনই তথ্য উঠে আসছে উমরের সম্পর্কে।
দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করতে গিয়ে পুলিস বেশকিছু বিস্ফোরক নথি হাতে পেয়েছে। হরিয়ানার ফরিদাবাদে যে হোয়াইট কলার মডিউলের সদস্যদের সন্ধান পুলিস পায় তাদের কথা থেকেই ওইসব নথি উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, উমর নিজেকে ‘আমির’ বলে প্রচার করত ‘হোয়াইট কলার’ জঙ্গিদের মধ্যে। তদন্ত সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেহাদিদের স্বঘোষিত নেতা ছিল উমর।
যেমন, উমর মহম্মদের ‘আমির’ নামকরণের পিছনে ছিল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জেহাদি চিকিৎসক’ মুজাম্মিল শাকিল। এই শাকিল বর্তমানে পুলিসি হেফাজতে। তদন্তে উঠে এসেছে উমর উন নবি মোট ৯টি ভাষা জানে। তদন্তকারীদের কাছে এমনই দাবি করেছেন মুজ়াম্মিল। তদন্তকারীদের মুজ়াম্মিল জানিয়েছেন, উমর সব সময়েই বলতেন ভারতে মুসলিমদের অবস্থা শোচনীয়। তাই এর বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা করতে হবে। দলের সকলকে আত্মাহুতির জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিতেন।
প্রসঙ্গত, দিল্লি-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু চিকিৎসকের নামও জড়িয়েছে। যারা আদতে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেককেই গ্রেফতারও করা হয়েছে। এমনকি যে চারজন চিকিৎসকের নাম জড়িয়েছে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন।