এবার এসআইআর নিয়ে বড় নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। 'দরকারে খসড়া ভোটার তালিকার সময়সীমা বাড়াতে হবে।' বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে মৌখিকভাবে হুঁশিয়ারি দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি...
এবার এসআইআর নিয়ে বড় নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। 'দরকারে খসড়া ভোটার তালিকার সময়সীমা বাড়াতে হবে।' বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে মৌখিকভাবে হুঁশিয়ারি দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, 'যদি দরকার মনে করি, তাহলে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আমরা বাড়ানোর নির্দেশ দিতেই পারি।'
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। এদিন কমিশনের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী। তাঁর বক্তব্য, ৫০ শতাংশ ডিজিটাইজেশন হয়েছে। কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে না। ৫০ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ। কমিশনের তরফ থেকে এদিন জানানো হয়, যাঁরা পাননি এনুমারেশন ফর্ম, তাঁদের সাপ্লিমেন্টারি তালিকার কথা ভাবা হচ্ছে।
কমিশনের কথায়, রাজনৈতিক নেতারা ভয় দেখাচ্ছেন। উঠে আসে বাংলার বিএলও-দের আত্মহত্যারর প্রসঙ্গও। অন্য দিকে মূল মামলার শুনানির সময়ে এই প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সওয়াল করা হয়। কীভাবে দু’মাসের মধ্যে এসআইআর হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। যাঁরা নিরক্ষর, লিখতে-পড়তে জানেন না, তাঁরা কী করবেন, সওয়াল করেন সিব্বল। কীভাবে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করতে হয় তা নিয়েও প্রশ্ন আইনজীবীর।
প্রধান বিচারপতি বলেন, 'যদি মামলাকারীরা প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে পারেন, তাহলে আমরা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা পিছিয়ে দিতেই পারি।' সুপ্রিম কোর্টের এই মন্তব্য নির্বাচন কমিশনের জন্য হুঁশিয়ারি বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী, বৃহস্পতিবার ফের এই মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।