ভোর তখন প্রায় ৪টে। সকলে গভীর ঘুমে। দিল্লিতে এক বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হল ৯ জনের। তাঁদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে বলে খবর। আহত হয়েছেন বহু। রবিবার ভোরেই দিল্লির বিবেক বিহার...
ভোর তখন প্রায় ৪টে। সকলে গভীর ঘুমে। দিল্লিতে এক বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হল ৯ জনের। তাঁদের মধ্যে একজন শিশুও রয়েছে বলে খবর। আহত হয়েছেন বহু। রবিবার ভোরেই দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার ওই চারতলা ভবনে ভয়াবহ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ছড়িয়ে পড়েছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
পুলিস এবং দমকল সূত্রে খবর, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। তবে ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, বাতানুকুল যন্ত্রে বিস্ফোরণে জেরেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তিন তলায়। যেখানে পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন। মৃতরা অরবিন্দ জৈন (৬০ বছর), তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন (৫৮ বছর), অরবিন্দের ছেলে নিশান্ত জৈন (৩৫ বছর), নিশান্তের স্ত্রী আঁচল জৈন (৩৩ বছর) এবং তাঁদের ছেলে আকাশ জৈন (১.৫ বছর)।
বহুতলের চার তলায় একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন নিতিন জৈন (৫০ বছর), তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন (৪৮ বছর) এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন (২৫ বছর)। দু'তলায় শিখা জৈন (৪০ বছর) নিহত হয়েছেন এবং তাঁর স্বামী নবীন জৈন (৪৮ বছর) আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ডিএফএস (DFS) কর্মকর্তা মুকেশ ভার্মা জানান, "ভোর ৩:৪৭ মিনিটে এই আবাসনে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের দমকলের গাড়িগুলো দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।