কমিশন কথা দিয়েছিল, এবার 'বাংলার ভোট কালচার' পাল্টাবে। কথা রেখেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা ছাড়া মোটের উপর অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। উত্তরবঙ্গের কুমারগঞ্জ থেকে শুরু করে দক্ষিণবঙ্...
কমিশন কথা দিয়েছিল, এবার 'বাংলার ভোট কালচার' পাল্টাবে। কথা রেখেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা ছাড়া মোটের উপর অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। উত্তরবঙ্গের কুমারগঞ্জ থেকে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের খয়রাশোলে কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর এসেছিল ঠিকই। তবে অন্যবারের ভোট-হিংসার তুলনায় নগণ্য মাত্র। কেউ নিহত হয়নি, আহতদের মধ্যেও কারুর অবস্থা সে অর্থে আশঙ্কাজনক নয়। মানুষ উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছে। এবং, ভোট দিয়ে এসে বলেছে: এমন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট কখনও দেখিনি।
দু-দফায় ভোট-পর্ব যদি সেমি ফাইনাল হয়, তাহলে গণনা-পর্ব ফাইনাল ম্যাচ। এবং, সেই ফাইনালেও জিততে মরিয়া কমিশন। স্ট্রংরুম নিয়ে বহু জায়গায় বিতর্ক চলমান ঠিকই। তবে, প্রত্যেকটা অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে কমিশন। এবং, কিছু ক্ষেত্রে ফ্যাক্টচেক করে অভিযোগের সত্যাসত্য জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।
এমতাবস্থায়, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে মন্তব্য করেন, "কোনওরকম কারচুপি নয়। ইভিএমে যাতে জনমত প্রতিফলিত হয় তা সুনিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কমিশন"।
একইসঙ্গে সিইও-র আবেদন, "খেলায় যেমন হারজিত থাকে, ভোটেও তেমন থাকে। সবজায়গায় যেন শান্তি থাকে। কোনওরকম অশান্তি যেন না-হয়"।
প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথেই পুনর্নির্বাচন হবে ২১ মে। তাই, সোমবার ২৯৪-এর বদলে ২৯৩ টি বিধানসভার ভোট গণনা হবে। বাংলার সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে যা নজিরবিহীন।
এদিকে, এদিন সন্ধের দিকে নোয়াপাড়ায় রাস্তায় পড়ে থাকে গুচ্ছ-গুচ্ছ ভিভিপ্যাটের স্লিপ। তৃণমূল, বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থী, প্রত্যেকেই কমিশনের নজরে এনেছেন বিষয়টি। প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভার প্রতিটি বুথ পুনর্নির্বাচনের নেপথ্যে রয়েছে ইভিএম কারচুপি ও ওয়েবক্যাম বিকল থাকা।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সকাল আটটায় গণনা শুরু হলে বেলা বারোটা নাগাদ বোঝা যাবে, বাংলায় এবার পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন?