যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। যার জেরে আরও বাড়তে পারে তেলের দাম। এছাড়াও, ভারতের বাজারেও পেট্রোপণ্যের দাম বাড়বে কিনা, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই আবহে ভারতবাসীকে আশ্বস্ত...
যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। যার জেরে আরও বাড়তে পারে তেলের দাম। এছাড়াও, ভারতের বাজারেও পেট্রোপণ্যের দাম বাড়বে কিনা, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই আবহে ভারতবাসীকে আশ্বস্ত করতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
যদিও এখনও পর্যন্ত পেট্রোপণ্যের দাম নিয়ে সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু কূটনৈতিক মহলের সূত্রে জানা যাচ্ছে, দেশে তেল ও অন্যান্য জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক দেশের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। কেন্দ্রের দাবি, সেই উদ্যোগে ইতিমধ্যেই সাফল্য মিলেছে এবং আপাতত তেল আমদানি নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আবহে তেল কেনা নিয়ে সাময়িক স্বস্তি পেয়েছে ভারত। আপাতত আগামী ৩০ দিন রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতের উপর কোনও বাধা থাকবে না। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এ কথা জানিয়েছেন আমেরিকার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট।
সোশ্যাল মিডিয়ার এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে স্কট বেসেন্ট বলেন, ট্রাম্পের জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গেই তিনি জনান, বিশ্ব বাজারে তেলের প্রবাহ অব্যাহত রাখতে, ট্রেজারি বিভাগ ভারতীয় পরিশোধকদের রাশিয়ান তেল কেনার অনুমতি দেওয়ার জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় জারি করছে। মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ৫ মার্চ পর্যন্ত যে সমস্ত রুশ জাহাজ মাঝসমুদ্রে পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ভারত সেই তেল কিনতে পারবে। এমনকী নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা জাহাজগুলিকেও এই ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে।