SIR পরবর্তী বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে সম্পূর্ণ 'হিংসামুক্ত' করতে তৎপর কমিশন। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে ফের একবার সেকথাই স্পষ্ট করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চ...
SIR পরবর্তী বাংলায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে সম্পূর্ণ 'হিংসামুক্ত' করতে তৎপর কমিশন। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে ফের একবার সেকথাই স্পষ্ট করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন চলাকালীন কোন হিংসার খবর মিললে তার বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবেও বলেও এদিন জানালেন তিনি। এমনকি কমিশনের এই কঠোর সিদ্ধান্তের আওতায় থাকবে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোও। পাশাপাশি একজনও বৈধ ভোটার তাঁদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন না বলেও আশ্বাস দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার।
গত রবিবার তিনদিনের সফরে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। সোমবার থেকে দফায় দফায় বৈঠক শুরু করেছেন তাঁরা। প্রথম দফায় রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, পুলিসের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, ও রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক হয়। এরপরেই আজ, মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেখানে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। এই অবস্থায় বৈঠকের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত, গোটা সময়টাই আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার প্রতি জোর দিলেন জ্ঞানেশ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর কথায়, 'পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। কোনও উসকানি অথবা ধমকি-চমকি বরদাস্ত হবে না। নির্বাচনের সময় এমন কোন উষ্কানীমূলক ঘটনার খবর পেলে তার বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
ভোটের কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করতে হবে বলেও এদিনের বৈঠক থেকে একাধিকবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার নির্দেশে কাজ করলে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। সব মিলিয়ে যেকোন অরাজকতা বা হিংসার বিরুদ্ধে কমিশনের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় থাকবে বলেই আজ জানিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। এই অবস্থায় বাংলায় কবে থেকে এবং কত দফায় নির্বাচন হবে, সেই দিকেই নজর রাখছে সকলে।