ইরানের যুদ্ধের আঁচ ভারতে প্রত্যক্ষভাবে না পড়লেও পরোক্ষভাবে পড়েছে। হরমুজ প্রণালী স্তব্ধ থাকায় দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। পর্যাপ্ত গ্যাস আমদানি করতে না পারায় জায়গায় জায়গায় দেখা দিচ্ছে বাণিজ্যিক গ...
ইরানের যুদ্ধের আঁচ ভারতে প্রত্যক্ষভাবে না পড়লেও পরোক্ষভাবে পড়েছে। হরমুজ প্রণালী স্তব্ধ থাকায় দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। পর্যাপ্ত গ্যাস আমদানি করতে না পারায় জায়গায় জায়গায় দেখা দিচ্ছে বাণিজ্যিক গ্যাসের অভাব। আর এবার সেই একই ছবি ধরা পড়ল কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল এসএসকেএমে। হাসপাতালের সেন্ট্রাল কিচেনে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের বদলে ডোমেস্টিক গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে বলে খবর সূত্রের। মূলত বাজারে পর্যাপ্ত বাণিজ্যিক গ্যাসের অভাব থাকায় গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাস হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের সেন্ট্রাল কিচেনের সুপারভাইজার জানিয়েছেন, রোজ সেখানে দু'হাজারের বেশি রোগীদের জন্য রান্না হয়। তার জন্য প্রতিদিন ৬-৭টি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। তবে মঙ্গলবার বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের বদলে তাদের ৯-১০টি ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় হলদিয়ায় গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানি হচ্ছে না বলেই এই অভাব দেখা গিয়েছে। তবে আগামীকাল অর্থাৎ বুধবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, ইরানে সামরিক হামলা শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ রেখেছে তেহরান। যার ফলে বিগত কয়েকদিন থেকে ওই পথ ব্যবহার করে গ্যাসবাহী ট্যাঙ্কারগুলি যাতায়াত করতে পারছে না। ভারতে মোট আমদানি হওয়া অশোধিত তেলের ৪০ শতাংশ এবং পেট্রোলিয়াম গ্যাসের ৮০ শতাংশ পশ্চিম এশিয়া থেকেই আসে। তবে হরমুজ বন্ধ থাকায় টান পড়েছে দেশের জ্বালানিতে। যদিও সরকারের তরফে যথেষ্ট তেল মজুত রয়েছে বলে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে।