মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এই অবস্থায় সংঘর্ষের আঁচ সরাসরি ভারতের উপর না পড়লেও পরোক্ষ ভাবে পড়েছে। অর্থাৎ হরমুজ প্রণালী স্তব্ধ থাকায় দেশে জ্বালানি তেলের ...
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট ক্রমেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এই অবস্থায় সংঘর্ষের আঁচ সরাসরি ভারতের উপর না পড়লেও পরোক্ষ ভাবে পড়েছে। অর্থাৎ হরমুজ প্রণালী স্তব্ধ থাকায় দেশে জ্বালানি তেলের আমদানি কমেছে। কিন্তু এমন সংকটের সময়েও বাংলাদেশে সাহায্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। বিপদের বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টন ডিজেল দেবে নয়া দিল্লি। এর মধ্যে মঙ্গলবারই ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল অসমের নুমালিগড় তেল সংশোধনাগার থেকে পাঠান হবে বলে খবর সূত্রের।
জানা যাচ্ছে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে জরুরিভিত্তিতে নয়া দিল্লির কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুই দেশের মধ্যে থাকা পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাস অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল প্রয়োজন বলে জানিয়েছিল ঢাকা। গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেছিলেন সে দেশের অর্থমন্ত্রী। এই অবস্থায় প্রতিবেশী দেশের সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নয়া দিল্লি।
অন্যদিকে বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইরানে যুদ্ধে শুরু হওয়ার পর থেকে মারাত্মক তেল সংকটে ভুগছে সে দেশের মানুষ। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশের বাইকে ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার করে তেল দেওয়ার নিয়ম চালু করেছে সে দেশের প্রশাসন। এমনকি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বন্ধ করার পাশাপাশি আগাম ইদের ছুটিও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মাথাচাড়া দিয়েছে গ্যাসের কালোবাজারি। ন্যায্য দামের ২-৩ গুন বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস।