ফের যুদ্ধবিধস্থ হরমুজ পেরিয়ে গুজরাত বন্দরে পৌঁছাল ভারতের আরও একটি জাহাজ। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে তৃতীয় জাহাজ এল দেশে। জানা গিয়েছে, বুধবার আশি হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি অশোধিত তেল নিয়ে গুজরাতে এসেছে ...
ফের যুদ্ধবিধস্থ হরমুজ পেরিয়ে গুজরাত বন্দরে পৌঁছাল ভারতের আরও একটি জাহাজ। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে তৃতীয় জাহাজ এল দেশে। জানা গিয়েছে, বুধবার আশি হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি অশোধিত তেল নিয়ে গুজরাতে এসেছে ভারতের জাহাজ, জগ লড়কি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়ে এসেছে জাহাজটি। ফলে কিছুদিনের মধ্যে জ্বালানি সংক্রান্ত ঘাটতি স্বাভাবিক হবে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই হরমুজ প্রণালী 'স্তব্ধ' করে রেখেছে ইরান। তেহরানের তরফে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, পশ্চিম এশিয়ার এক লিটার তেলও বাইরে যাবে না। যদিও চিন এবং রাশিয়ার পণ্যবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে সেই ছাড়পত্র দিয়েছিল ইরান। তবে প্রাথমিকভাবে ভারতকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত হরমুজ প্রণালীর আশেপাশেই থমকে ছিল একাধিক জ্বালানিবাহী জাহাজ। যার জেরে দেশজুড়ে তৈরি হয় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।
এমতাবস্থায় পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়ে গত সপ্তাহে চারবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর কথা বলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সইদ আব্বাস আরাঘাচির সঙ্গে। পাশাপাশি গত বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসিকিয়ানের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরেই গত সোমবার থেকে একে একে ভারতীয় জাহাজ আসতে শুরু করে ভারতে। ইতিমধ্যেই শিবালিক এবং নন্দা দেবী নামে দুটো গ্যাসবাহী জাহাজ এসে পৌঁছেছে গুজরাত বন্দরে। এবার সেই তালিকায় যোগ হল জগ লড়কি। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের দাবি, ভারতের কূটনীতির জোরেই হরমুজে চলাচলের অনুমতি পেয়েছে তিন জাহাজ।