তেল সংকটে দিশেহারা ভারতের পড়শী দেশ। এই অবস্থায় পাকিস্তান দিবসে কুচকাওয়াজ করা সম্ভব হবে না বলে বিবৃতি জারি করল ইসলামাবাদ। ইরান যুদ্ধ আবহে তেল এবং রান্নার গ্যাসের সঙ্কট চরমে, সে কারণেই আগামী ২৩ মার্চ কু...
তেল সংকটে দিশেহারা ভারতের পড়শী দেশ। এই অবস্থায় পাকিস্তান দিবসে কুচকাওয়াজ করা সম্ভব হবে না বলে বিবৃতি জারি করল ইসলামাবাদ। ইরান যুদ্ধ আবহে তেল এবং রান্নার গ্যাসের সঙ্কট চরমে, সে কারণেই আগামী ২৩ মার্চ কুচকাওয়াজের কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিবৃতিতে।
দেশে জ্বালানি যোগানের ক্ষেত্রে মূলত পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির উপরেই নির্ভরশীল পাকিস্তান। সেখান থেকেই রোজকার ব্যবহারের একটা বড় অংশের জ্বালানি আমদানি করে তারা। তবে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছে ইরান। ফলে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল। এই পরিস্থিতিতে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।
গত সপ্তাহেই এই পদক্ষেপের অংশ হিসাবে সরকারের তরফে সেখানকার সমস্ত সরকারি স্কুল ৯ মার্চ থেকে পরের ১৫ দিন পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়েছিল। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে নলিয়ান মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সমস্ত সরকারি দফতরগুলি সপ্তাহে চার দিন খোলা রাখা হবে বলেও জানান হয়েছিল। তাই এই অবস্থায় জ্বালানির দিক খেয়াল রেখেছি ২৩ মার্চ সামরিক কুচকাওয়াজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক সরকার।
প্রসঙ্গত, ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে একটি বৈঠকে মুসলিমদের জন্য আলাদা দেশ গঠনের দাবিতে প্রস্তাব পাশ করেছিল মুসলিম লীগ। সেই ঘটনার স্মরণে এখনও ওই দিন সামরিক কুচকাওয়াজ হয় পাকিস্তানে। কিন্তু এইবার সেই অনুষ্ঠান আর হচ্ছে না সেখানে। তবে বিভিন্ন জায়গায় পতাকা উত্তোলন করা হবে।