মঙ্গলবার ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। ভাঙড় থেকে শওকত মোল্লাকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে শাসক দল। আর যা মোটেও ভালো ভাবে মেনে নিতে পারেননি শওকত অনুগামীরা। ফলে মঙ্গলবার রাত থেকেই দফায়...
মঙ্গলবার ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। ভাঙড় থেকে শওকত মোল্লাকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে শাসক দল। আর যা মোটেও ভালো ভাবে মেনে নিতে পারেননি শওকত অনুগামীরা। ফলে মঙ্গলবার রাত থেকেই দফায় দফায় শুরু হয় বিক্ষোভ। কার্যত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জীবনতলা এলাকা। শওকত মোল্লাকে ভাঙড়ের বদলে ক্যানিং পূর্ব থেকেই প্রার্থী করতে হবে বলে দাবি তোলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বুধবার এই বিক্ষোভ সম্পর্কে মুখ খুলেছেন খোদ শওকত মোল্লা নিজেও।
মঙ্গলবারের প্রার্থী তালিকায় মোট ৭৪ জন বিধায়কদের মুখ বদল করেছে শাসক দল। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন শওকত মোল্লা। তিনি ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকার দীর্ঘদিনের বিধায়ক। পাশাপাশি এলাকার 'ভুমিপুত্র' হিসেবেও পরিচিত। তা সত্ত্বেও সম্প্রতি দলের তরফে তাঁকে ভাঙড়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে ভাঙড়েও তাঁর প্রভাব রয়েছে। এই অবস্থায় গতকাল প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা যায় ক্যানিং পূর্ব নয়, এবার শওকত মোল্লাকে ভাঙড় থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। আর তারপরই ক্যানিং এলাকায় ক্ষোভ ছড়ায়।
এলাকার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মঙ্গলবার রাতেই জীবনতলায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের দাবি, ক্যানিং পূর্ব থেকে সওকত মোল্লাকেই প্রার্থী করতে হবে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বহিরাগত প্রার্থী তাঁরা কোনওভাবেই মেনে নেবেন না। তৃণমূলের কয়েকশো কর্মী-সমর্থক জীবনতলা বাজারে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি করেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিক্ষোভ।
গতকালের পর বুধবার সকালেও শুরু হয় বিক্ষোভ। শওকতকে ওই এলাকাতেই প্রার্থী করতে হবে বলে চলে স্লোগান। পরে এই বিষয়ে শওকত বলেন, তাঁর এই নিয়ে কিছু বলার নেই। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ফলে দল তাঁকে যে নির্দেশ দেবে, তাই পালন করা হবে। যদিও এই বিষয় নিয়ে তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন।