এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রথম সারির আইনজীবী কপিল সিব্বালকেও খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছিল আগেরদিন। এদিন, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এসআইআর নিয়ে মেনশন করতে দেখা গেল তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্...
এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের প্রথম সারির আইনজীবী কপিল সিব্বালকেও খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছিল আগেরদিন। এদিন, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এসআইআর নিয়ে মেনশন করতে দেখা গেল তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী ওই আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে।
রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে পারস্পরিক আস্থার অভাবে এক নজিরবিহীন নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। যে সব নাম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তার নিষ্পত্তি করবেন নিম্ন আদালতের বিচারকরা। এমতাবস্থায়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সব পক্ষকে নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করেন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে হাজির হয়ে কপিল সিব্বাল অভিযোগ করেন, কমিশন বিচারকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তাই কমিশনের মতোই কাজ করছেন (এবং করবেন) বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। কপিলের এই অভিযোগে সেদিন রীতিমতো বিরক্ত হন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এবং রাজ্যের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন করেন, কমিশন প্রশিক্ষণ দেবে না তো আর কে দেবে? কার্যত ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ছাড়াও আরও অনেক বিষয় শুনতে হয় তাঁদের, তাই বারবার এই নিয়ে যেন বিরক্ত না-করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে, রাজ্যে যখন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠকে বসেছে, তখন ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রার্থী মেনকা গুরুস্বামী।
মেনকা: আমাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে.. নথিপত্র রেকর্ডে নেওয়া হয়নি। এরা হলেন নির্বাচক। তারা আগে ভোট দিয়েছিলেন এবং এখন তাদের নথিপত্র নেওয়া হয়নি..
সিজিআই সূর্য কান্ত: কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আমরা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারি না...
মেনকা: ধারা ২৩ এবং ২৪ দেখায় যে আপিল মিথ্যা। যদি এটি ট্যাগ করা যায়।
সিজিআই সূর্য কান্ত: পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কিছু করার আছে?