সাম্প্রতিককালে রাজধানীর বুকে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা, যা নিয়ে রীতিমত আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। রক্তাক্ত হয়েছে দিল্লির রাস্তা। জানা গিয়েছে, এই আবহে দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনক...
সাম্প্রতিককালে রাজধানীর বুকে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা, যা নিয়ে রীতিমত আতঙ্কের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। রক্তাক্ত হয়েছে দিল্লির রাস্তা। জানা গিয়েছে, এই আবহে দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফরিদাবাদ থেকে শোয়েব নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। অভিযোগ, দিল্লি-কাণ্ডে আত্মঘাতী হামলাকারী চিকিৎসক-জঙ্গি উমরকে সাহায্য করছিল এই শোয়েব।
যতদিন যাচ্ছে ততই রহস্যের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হতে থাকছে দিল্লি-কাণ্ডে। কিছুদিন আগেই জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করা হয় এক টেকনিশিয়ানকে! অভিযোগ, পাক হ্যান্ডেলারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ওই টেকনিশিয়ানের।ওই পাকিস্তানি হ্যান্ডেলারের কাছ থেকে রাইফেল পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত চিকিৎসক আদিল রাথরের কাছে। সূত্রের খবর, এই আবহে ফরিদাবাদ থেকে শোয়েব নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। গোটা বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানান হয়েছে, 'দিল্লিতে বিস্ফোরণের আগে উমরের চাহিদামত সমস্ত সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেছিল শোয়েব। উমরকে সবদিক থেকে সাহায্য করেছিল সে।' তবে ধৃত ব্যক্তি কোনও জঙ্গি বা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল কিনা, এমনকি যুক্ত আছে কিনা, সেই সমস্তরকম পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা শুরু করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দিল্লি-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু চিকিৎসকের নামও জড়িয়েছে। যারা আদতে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেককেই গ্রেফতারও করা হয়েছে। এমনকি যে চারজন চিকিৎসকের নাম জড়িয়েছে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। অনেকেই বলেছেন, 'এই আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় আদতে জঙ্গি তৈরির কারখানা হয়ে দাঁড়িয়েছে!' এরই মধ্যে ডাক্তারি পড়ুয়াদের বেশিরভাগ জনেরই এখন প্রশ্ন, 'আমরা আমাদের কেরিয়ার গড়তে এসেছি, এখানে আমাদের অপরাধটা কোথায়? সেটাই তো বুঝতে পারছি না।'
যত দিন যাচ্ছে ততই দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া তথ্য সামনে আসছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় 'আত্মঘাতী চিকিৎসক জঙ্গি' উমরের ফোনে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। যা দেখে চক্ষুচড়ক গাছ তদন্তকারীদের। তদন্তের সময় উমরের ফোন ঘেঁটে জানতে পারা গিয়েছে যে, এমন জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে শুধু উমর একাই নয়, সেই সঙ্গে বিভিন্ন মুলসিম তরুণদের এই কাজে যোগ দেওয়ার জন্য রীতিমত উসকানি দিত সে! অর্থাৎ জেহাদে যোগ দেওয়ার কারণেই এই উসকানি ভিডিও ছিল তার। গোপনে সেসব ভিডিও ব্যবহার করত সে।