নির্বাচনের ষষ্ঠদফাতেও অব্যাহত নির্বাচনী সন্ত্রাস। ভোটযুদ্ধের সকালে তৃণমূল বনাম বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত দাঁতন। দাঁতন ২ ব্লক-এর সাবড়ায় রামকৃষ্ণ ১ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত...
নির্বাচনের ষষ্ঠদফাতেও অব্যাহত নির্বাচনী সন্ত্রাস। ভোটযুদ্ধের সকালে তৃণমূল বনাম বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত দাঁতন। দাঁতন ২ ব্লক-এর সাবড়ায় রামকৃষ্ণ ১ নম্বর বুথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এমনকি রেহাই মেলেনি মহিলাদেরও। অভিযোগ, বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের উপর অত্যচার চালায় দুষ্কৃতীরা।মারধর, হেনস্থা, তথা ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শাসকদলের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব স্থানীয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বেলদা থানার পুলিস আধিকারিক এসে পৌঁছলে,তাঁকে ঘিরেও পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন বাসিন্দারা।
\r\nএলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিস বাহিনী। এদিন পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে ও আক্রান্ত মহিলা বিজেপি কর্মীর সঙ্গে দেখা করতে আসেন মেদিনীপুর লোকসভাকেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল স্বয়ং।ঘটনাস্থল থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর পাশাপাশি পুলিসের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রার্থী।\r\n
ফের বঙ্গে আক্রান্ত মহিলা বিজেপি কর্মী। অভিযোগের নিশানায় শাসকদলের দুষ্কৃতী বাহিনী। আবারও প্রকাশ্যে গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। এমনকি পুলিসের ভূমিকাও প্রশ্নচিহ্নের সম্মুখীন দাঁতনে। কিন্তু কেন? কেন লোকসভা নির্বাচনের ষষ্ঠ দফাতেও বদলাচ্ছে না রাজ্যের এই অরাজক পরিস্থিতি? ভোট যুদ্ধে বারংবার বিরোধীদের দিকে ধেয়ে আসা আক্রমণে ফের জমগণের কাঠগড়ায় শাসকদল তা বলাই বাহুল্য।