রাস্তার পাশে কর্মী সমর্থকদের ভীড়,ফুল ছুঁড়ে সম্বর্ধনা জানালেন তাদের প্রিয় নেত্রীকে। এমনই ছবি ধরা পড়ল হুগলিতে। শুক্রবারই সিপিআইএম -এর বাংলা বাঁচাও যাত্রা হুগলীতে প্রবেশ করেছে। পাণ্ডু...
রাস্তার পাশে কর্মী সমর্থকদের ভীড়,ফুল ছুঁড়ে সম্বর্ধনা জানালেন তাদের প্রিয় নেত্রীকে। এমনই ছবি ধরা পড়ল হুগলিতে। শুক্রবারই সিপিআইএম -এর বাংলা বাঁচাও যাত্রা হুগলীতে প্রবেশ করেছে। পাণ্ডুয়া , ব্যান্ডেল, চুঁচুড়া থেকে চন্দননগর মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে বরণ করে নিলেন হুগলীর জনসাধারণ।
শুক্রবার পাণ্ডুয়ায় সভায় করেন সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক। শনিবার পান্ডুয়া থেকে বাংলা বাঁচাও যাত্রা মগড়া, ব্যান্ডেল , চুঁচুড়া হয়ে চন্দননগরে প্রবেশ করে। হুডখোলা গাড়িতে সিপিআইএম নেত্রী মিনাক্ষী সম্বর্ধনা গ্রহন করেন কর্মি সমর্থকদের কাছ থেকে।
শনিবার গোটাদিন হুগলিতেই পদযাত্রা, বাইক র্যালি, সভা প্রচার চালান তিনি। এরপর শ্রীরামপুর, ডানকুনি, চন্ডীতলা জনাই এর বিভিন্ন জায়গায় প্রচার করে আবার শ্রীরামপুরে ফিরবে বাংলা বাঁচাও যাত্রা। রবিবার শ্রীরামপুর অমূল্য কানান থেকে পদযাত্রা রিষড়া থানা এলাকায় যাবে বলেই জানা গেছে। এরপর বিকালে উত্তরপাড়া থেকে মশাল মিছিল করে হাওড়া প্রবেশ করবে বাংলা বাঁচাও যাত্রা।
চন্দননগর বাগবাজারে বাংলা বাঁচাও যাত্রার সমাবেশে উপস্থিত হন,মহঃ সেলিম। এদিন মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখআ যায় বাম নেতা শমীক লাহিড়ী, শ্রীদীপ ভট্টাচার্য,দেবব্রত ঘোষ সহ একাধিক সিপিআইএম নেতৃত্বদের।
শনিবার জাঙ্গিপাড়াতেও ছিল বামেদের প্রকাশ্য সমাবেশ। সেখান থেকেই মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের গ্রেপ্তার ও পদত্যাগের দাবি তোলেন মহম্মদ সেলিম। মুখ্যমন্ত্রীকে নাক খত দিতে হবে বলেও কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন সেলিম।
চন্দননগরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও শাসকদলকে এক হাত নেন তিনি। যুব ভারতীর ঘটনা প্রসঙ্গে সেলিম বলেন" এই কি বাংলা ছিল ? এই কি ফুটবলের মাঠ?এর আগে মারাদোনা আসেনি ? পেলে আসেনি ?এখানে বড় বড় ম্যাচ , স্পোর্টস ইভেন্ট হয়নি ? সব কিছু দখল করবে তৃণমূল? আর সেটা টাকা রোজগারের জায়গা করবে?এখন অর্গানাইজারকে ধরে গ্রেফতার করবে, অরূপ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেতে হবে। তাকে পদত্যাগ করতে হবে। তৃণমূলের নেতারা যারা ফুলে ফেঁপে উঠেছে তারা মেসিকে ঘিরে রেখেছে, বাকিরা কোথায় যাবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলা হবে এই স্লোগানে আজকে হচ্ছে প্রদর্শন,এই স্টেডিয়াম আমারা গড়ে তুলেছিলাম তিল তিল করে।আমাদের রাজ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ধ্বংস হয়েছে, সেরকম খেলাও ধ্বংস হয়েছে,
পাঁচ দশ হাজারের টিকিট, আজকে যারা কালো টাকায় ফুলে ফেঁপে ওঠা লোক ঘিরে ছিল মেসিকে তাদের পোশাকি নাম তৃণমূলের নেতা। যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে তাদের টাকা ফেরৎ দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে ,কেন এমন একটা ক্রীড়া মন্ত্রী তৈরি করেছেন?"
ফলে এভাবেই বাংলা বাঁচাও যাত্রায় যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা নিয়ে সরব বামেরা। নিশানায় শাসক দল।