দীর্ঘ জল্পনা। বিগত কিছুদিন আগেই আচমকাই সামাজিক মাধ্যম জুড়ে তোলপাড়। বিষয় শুধু একটাই। বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর নিয়ে গুঞ্জন। তবে সেসময় অভিনেতার পরিবার থেকে সেই খবর কার্যত নস্যাৎ ...
দীর্ঘ জল্পনা। বিগত কিছুদিন আগেই আচমকাই সামাজিক মাধ্যম জুড়ে তোলপাড়। বিষয় শুধু একটাই। বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর নিয়ে গুঞ্জন। তবে সেসময় অভিনেতার পরিবার থেকে সেই খবর কার্যত নস্যাৎ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অভিনেতাকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রমাণ হয় তিনি জীবিত আছেন। সেই ঘটনার ১৩ দিন পার। ২৪ নভেম্বর সোমবার দুপুরে আচমকাই ভিলে পার্লে শ্মশানে অভিনেতার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি, এমনকি একাধিক বলিউড অভিনেতার উপস্থিতিতে ফের ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর খবর জল্পনা-গুঞ্জন তৈরি হয়। ধর্মেন্দ্র কি সত্যিই প্রয়াত হয়েছেন? তৈরি হয় চূড়ান্ত সাসপেন্স। যদিও অভিনেতার পরিবারের তরফ থেকে এখনও এই বিষয়ে কিছু জানান হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে সমস্ত জল্পনা-গুঞ্জনে সিলমোহর বসল প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর শোকবার্তায়।
নরেন্দ্র মোদী তাঁর সামাজিক পোস্টে লিখেছেন, 'আমি বরাবরই ধর্মেন্দ্রর অভিনয়ের ভক্ত এবং মুগ্ধ ছিলাম। যেভাবে প্রত্যেক চরিত্রে নিজের অভিনয় ফুটিয়ে তুলতেন তা সত্যিই অনবদ্য। এতদিন ধরে বহু মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। তা সত্যিই ভোলার নয়। তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা ছিলেন। আজকের এই দুঃখের দিনে ওনার পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।'
শুধু প্রধানমন্ত্রীই নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছেন, 'ধর্মেন্দ্রজির মৃত্যু ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক যুগের অবসান হল। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। দর্শকদের বহু ভালো ভালো সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ওনার পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল।