আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ গিয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তাঁর মৃত্যুর পর এবার ইরানের বাকি শীর্ষ নেতৃত্বদেরও টার্গেটে নিয়েছে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প সেনা। এমতাবস্থায়, মঙ্গলবার লাগাতার হ...
আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ গিয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তাঁর মৃত্যুর পর এবার ইরানের বাকি শীর্ষ নেতৃত্বদেরও টার্গেটে নিয়েছে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প সেনা। এমতাবস্থায়, মঙ্গলবার লাগাতার হামলা চালিয়ে ইরানের গুপ্তচর মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব'কে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করল ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন বিবৃতি দেয়নি তেহরান।
খাতিবের নিহত হওয়ার সংবাদ দেওয়ার সময় কাটজ দাবি করেন, 'আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় আর বড় ধরনের চমক অপেক্ষা করছে।' এই ঘটনার আগে গতকাল ইজরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেইর ডান হাত বলে পরিচিত ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারজানি। এছাড়াও মৃত্যু হয়েছে ইসলামি বিপ্লবী বাহিনীর আওতাধীন আধাসামরিক বাহিনী 'বাসিজ ফোর্সের' কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানির।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রিয়ারি প্রথম ইরানের মাটিতে হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় কার্যত তছনছ হয়ে যায় তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। এরপরেই আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। তারপর থেকেই লাগাতার প্রত্যাঘাত শুরু করে তেহরান। কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলায় ইরান মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় তিন হাজার।