নির্বাচনের দিনক্ষণ ও পরিস্থিতি নিয়ে মাঝে মধ্যেই বিবাদ তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের একাধিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে। তারই মধ্যে বিগত কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়...
নির্বাচনের দিনক্ষণ ও পরিস্থিতি নিয়ে মাঝে মধ্যেই বিবাদ তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশের একাধিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে। তারই মধ্যে বিগত কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এমনই রায় ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। মোট পাঁচটি অপরাধের ভিত্তিতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময় এমন ঘটনায় রীতিমত শোরগোলের পরিস্থিতি তৈরি হয় বাংলাদেশ তথা বিশ্ব রজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, এরই মাঝে শেখ হাসিনার নামে থাকা বাজেয়াপ্ত করা দুটি লকার খোলা হল। আদালতের অনুমতি নিয়েই এমন বাজেয়াপ্ত করা লকার খোলা হয়েছে। যেখান থেকে প্রায় ৮৩২ ভরি সোনার গয়না পাওয়া গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে!
জানা গিয়েছে, শেখ হাসিনার পাশাপাশি একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। রায় ঘোষণার দিনই আদালতে ফাঁসির ঘোষণার পাশাপাশি হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের বাংলাদেশে থাকা সমস্ত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রথম থেকে এই মামলায় হাসিনা থাকলেও, অভিযুক্তের তালিকায় আরও দুজন রয়েছেন বলেই দাবি করা হয়েছে। সেই দুজন কারা? একজন বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং আরেক জন হলেন, বাংলাদেশ পুলিসের প্রাক্তন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, একসময়ে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনা তাঁর সম্পত্তির বিস্তারিত হলফনামা দিয়েছিলেন। সেখানে সেসময় জানা গিয়েছিল, হাসিনার নামে মোট ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। ঠিক সেসময় হাসিনার হাতে নগদ ২৮ হাজার টাকা এবং ২৫ লক্ষ টাকার সঞ্চয় করা সেই সঙ্গে ৫৫ লক্ষ টাকার স্থায়ী আমানত ছিল। পাশাপাশি হলফনামা অনুযায়ী জানা গিয়েছে, উপহার পাওয়া নিয়ে শেখ হাসিনার মোট তিনটি গাড়ি আছে। প্রায় ১০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি বাড়ির আসবাবপত্র রয়েছে। এছাড়াও প্রায় ১৫.৩ বিঘা কৃষিজমি রয়েছে তাঁর। সেই সঙ্গে মৌচাকে ৯ বিঘার মত একটি বাগানবাড়ি আছে হাসিনার।