হরমুজে ভারতের দুটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্বের কূটনৈতিক মহলগুলোয়। ইরান হামলায় ভারতের দুটি জাহাজের মধ্যে একটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে...
হরমুজে ভারতের দুটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্বের কূটনৈতিক মহলগুলোয়। ইরান হামলায় ভারতের দুটি জাহাজের মধ্যে একটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলেও খবর। এমতাবস্থায়, ভারতীয় জাহাজের কর্মীদের তরফে একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্টভাবে বোঝা গিয়েছে, ভারতের ওই জাহাজটিকে হরমুজ পার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেখানে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, শনিবার 'সানমার হেরাল্ড' ও 'জগ অর্ণব' নামে দুটি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ পার করছিল। কিন্তু আচমকাই ওই জাহাজ দুটোয় হামলা চালায় ইরান সেনা। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন নাবিক এবং অন্যান্য কর্মীরা। সেসময়ে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন ভারতীয় জাহাজের কর্মীরা। প্রকাশ্যে আসা এক অডিও ক্লিপে জাহাজের নাবিককে বলতে শোনা যায়, 'সেপাহ নেভি। সেপাহ নেভি। মোটর ট্যাঙ্কার সানমার হেরাল্ড কথা বলছি। আপনারা তো আমার জাহাজকে হরমুজ পেরনোর অনুমতি দিয়েছেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আমাদের নাম রয়েছে। কিন্তু আপনারা এখন হামলা করছেন!'
যদিও সেই অডিও ক্লিপে ইরানি নৌসেনার কোনও প্রতিক্রিয়া শোনা যায়নি। তবে এটুকু স্পষ্ট হয়েছে, যে জাহাজ গুলোকে হরমুজ পার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কেন হামলা হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। সূত্রের খবর, ইরানের অতর্কিত হামলায় কোন হতাহতের খবর না থাকলেও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে 'জগ অর্ণব' নামের জাহাজটি। ওই দুটি জাহাজেই কয়েক লক্ষ ব্যারেল জ্বালানি তেল ছিল বলেও জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গতকাল এই ঘটনার পরেই নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতালিকে তলব করে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। পাশাপাশি এই অতর্কিত হামলার বিরুদ্ধে নিন্দাও জানান হয়েছে ভারতের তরফে।