রবিবার সকালে আগুনের চেয়েও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে একটি খবর, তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক আপাতত প্যাকআপ করেছে এবং সংস্থার কর্মীদের ২০ দিনের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এমতাবস্থায়, সর্রভার...
রবিবার সকালে আগুনের চেয়েও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে একটি খবর, তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক আপাতত প্যাকআপ করেছে এবং সংস্থার কর্মীদের ২০ দিনের জন্য ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। এমতাবস্থায়, সর্রভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সমাজমাধ্যমে স্পষ্ট দাবি করেন, এই খবর ভিত্তিহীন, আইপ্যাক যেমন কাজ করছে তেমনই করবে। এরপর রবিবাসরীয় বিতর্ক খানিক স্তিমিত হয়ে ঢিমেতেতালায় চলতে থাকে। কিন্তু, দুপুর গড়াতে-না-গড়াতেই সেই বিতর্কের সেই নিভন্ত আঁচ খানিক দাহ্য পদার্থ পেয়ে আচমকাই আবার দাউদাউ করে জ্বলে উঠল।
তারকেশ্বরের এক জনসভায় তাঁর দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, "তুমি আমাদের এজেন্সিগুলোকে বলছ, বাংলা ছেড়ে চলে যাও। যারা আমাদের কাজ করে। তোমার তো ৫০ টা আছে, আমাদের ক্ষমতা নেই, আমাদের ১ টা আছে। শুনুন, ওদের ভয় দেখালে ওরা আমার দলের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং আমরা ওদের চাকরি দেবো। এটা মাথায় রেখে দিন। আমি একটি ছেলেকেও চাকরিছাড়া করবো না। সকালে অভিষেকের সঙ্গে কথা বলেই এসেছি"।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তারকেশ্বরে এদিন মমতার নিশানায় ছিল বিজেপি ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত, এদিন সকালে একদা কালীঘাট থানার বিতর্কিত ওসি এবং অধুনা কলকাতা পুলিসের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ইডি। পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, একুশের বিধানসভার পর পুলিস কর্মীদের একটি সভায় তাঁকে সরাসরি শাসকদলের হয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। এবং, ওই সভা থেকেই বলা হয়েছিল, নন্দীগ্রামে লোডশেডিং করিয়ে জিতেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তারকেশ্বরের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গেল, "আমার সিকিউরিটি দেখে যে, তার বাড়িও সকাল থেকে রেড করছেন। তার মানে আপনারা কি আমায় খুন করতে চান? না হত্যা করতে চান? আমাকে খুন করলে যদি আপনারা বাংলা পান, চেষ্টা করে দেখুন না। সিপিএম আমলেও অনেকবার খুন করা চেষ্টা করা হয়েছে"।