অবশেষে শান্তি-বৈঠকে বসতে চলেছে ইরান-আমেরিকা। শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী, ইসলামাবাদে হবে দুই পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। সেই উপলক্ষে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পৌঁছে গিয়েছে ইরানের ৭০ জনের প্রতিনিধিদল। দলের ন...
অবশেষে শান্তি-বৈঠকে বসতে চলেছে ইরান-আমেরিকা। শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী, ইসলামাবাদে হবে দুই পক্ষের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। সেই উপলক্ষে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পৌঁছে গিয়েছে ইরানের ৭০ জনের প্রতিনিধিদল। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ।
পাকিস্তানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, শনিবার ভোরে সেখানে পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন প্রতিনিধি দলও। সেই দলে রয়েছেন খোদ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার। আজকের বৈঠক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে জল্পনা।
সূত্রের খবর, আজকের শান্তি চুক্তির বিষয়ে বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। এর মধ্যে রয়েছে, লেবাননে ইজরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি। পাশাপাশি দপশ্চিম এশিয়ায় আর নতুন করে সেনা মোতায়েন করতে পারবে না আমেরিকা। এই অবস্থায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডন্স ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে জানিয়েছেন, 'আমরা আলোচনার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। আমার মনে হয়, ইতিবাচক বৈঠক হবে।'
প্রসঙ্গত, ইরান-আমেরিকা বৈঠক উপলক্ষে ইতিমধ্যেই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ইসলামাবাদকে। একাধিক স্পর্শকাতর জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে কয়েক হাজার পুলিস ও সেনা। পাশাপাশি বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-কলেজ এবং বাজার। গুরুত্বপূর্ণ জায়গা গুলোতে অক্ষপথেও নজরদারি চালাচ্ছে পাক সেনা।