মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এবার পাকিস্তানকে কাছে টানল সৌদি আরব। পাক সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে দেখা করলেন সৌদির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সলমন আল সৌদ। মনে করালেন পুরনো...
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এবার পাকিস্তানকে কাছে টানল সৌদি আরব। পাক সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে দেখা করলেন সৌদির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সলমন আল সৌদ। মনে করালেন পুরনো চুক্তির কথাও।
শনিবার সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে মুনিরের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়। একটি বিবৃতি পেশ করে তারা জানিয়েছেন, রিয়াধে মুনির ও সলমনের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে সৌদির উপরে ইরানের অতর্কিত হামলা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই পক্ষের। বলে রাখা ভালো, গত বছরেই পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইসলামাবাদ এবং রিয়াধের উপর কোন দেশের সামরিক হামলা হলে, তার মোকাবিলা করতে ওই দুই দেশই উদ্যত হবে। এমতাবস্থায়, সেই চুক্তির পরিকাঠামোর মধ্যেই এই বৈঠক হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। পাশাপাশি সৌদির অসময়ে পাকিস্তান তাদের পাশে থাকবে বলেও বার্তা দিয়েছে মুনির।
উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকে ইরানের বিরুদ্ধে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছে আমেরিকা-ইজরায়েল। সেই হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তারপর থেকেই ক্রোধের আগুনে ফুঁসতে শুরু করে তেহরান। শুরু হয় তাদের তরফে পাল্টা প্রত্যাঘাত। পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমা বর্ষণ করে ইরান। বোমা নিক্ষেপ করা হয় সৌদিতেও। এছাড়াও হামলা চালান হয় সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরিন, ইরাকের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করেও। এই অবস্থায় চুক্তি ইস্যু তুলে সৌদির হামলায় পাকিস্তান কী পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। যদিও শনিবার ইরানের তরফে দাবি করা হয়েছে, তাদের উপরে হামলা না হলে তারাও আর নতুন করে সংঘর্ষে জড়াবে না।