ধ্বংস করা হচ্ছে মুজিবের শেষ স্মৃতিটুকু। রাতভর বুলডোজার চালিয়ে ভাঙা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। আর তাতে গো-মাংস খেয়ে উল্লাস করছে পড়শি দেশ পাকিস্তান। 'বিশ্বাসঘাতকের যুগের অবসান হল, বাংলাদেশের বিপ্লবীরা গুঁড়...
ধ্বংস করা হচ্ছে মুজিবের শেষ স্মৃতিটুকু। রাতভর বুলডোজার চালিয়ে ভাঙা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। আর তাতে গো-মাংস খেয়ে উল্লাস করছে পড়শি দেশ পাকিস্তান। 'বিশ্বাসঘাতকের যুগের অবসান হল, বাংলাদেশের বিপ্লবীরা গুঁড়িয়ে দিল মুজিবর রহমানের বাড়ি।' পদ্মপাড়ে বুধবার থেকে শুরু হওয়া অরাজকতাকে এমন ভাষায় প্রকাশ করল পাকিস্তান সেনা। মুজিব রহমানের ধানমন্ডির বাড়ি, দেশজুড়ে একাধিক জায়াগায় বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙার ঘটনা সামনে আসতেই এক্স হ্যান্ডেলে প্রতিক্রিয়া জানায় পাক সেনা। সমাজমাধ্যমের ওই পোস্ট তুলে ধরেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন।
২০২৪ সালের ৫ই অগাস্টের কায়দাতেই ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশের জাতির জনকের মূর্তির উপর হামলা চালাল একদল উন্মত্ত জনতা। বাদ গেল না শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজরিত ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটিও। বুলডোজার ক্রেন এনে সারা রাত ধরে চলল ধ্বংসযজ্ঞ। গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বাড়ির একাংশ। তারপর চলল অবাধে লুঠ। মিউজিয়ামের উপহার, ঐতিহাসিক স্মারক, দুস্প্রাপ্য নথি, বইয়ের পাশাপাশি আম জনতা লুঠ করে নিয়ে গেল টেবিল, চেয়ার, ইট, কাঠের দরজা, জানলা এমনকি লোহার রডও। আগের বারের মতোই এবারেও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিস এবং দমকল। এমনকি আক্রান্ত হবার ভয়ে বৃহস্পতিবার সকালেও ঘটনাস্থলে আগুন নেভাতে যায়নি, দমকল, পুলিস, প্রশাসন।
আর সেই একই চিত্রনাট্য দেখে অনেকেই বলছেন এবারো বিক্ষোভের সামনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীদের রেখে আসল তাণ্ডবটা চালালো উগ্র মৌলবাদী ধর্মীয় সংগঠন জামাত-ই-ইসলাম।