আপাতত কিছুটা স্বস্তি মধ্যপ্রাচ্যে। আগামী দু-সপ্তাহের জন্য ইরানের উপর হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে ইজরায়েলও। তবে নেতানিয়াহু...
আপাতত কিছুটা স্বস্তি মধ্যপ্রাচ্যে। আগামী দু-সপ্তাহের জন্য ইরানের উপর হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে ইজরায়েলও। তবে নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি, এই যুদ্ধবিরতি কেবল ইরানের জন্য, এর আওতায় লেবানন থাকবে না। অর্থাৎ লেবাননে যে ইজরায়েল সেনার হামলা অব্যাহত থাকবে, তা ঘুরপথে জানিয়ে রাখলেন ইজরায়েল প্রধান।
অন্যদিকে মার্কিন প্রধানের যুদ্ধবিরতি ঘোষণায় সহমত জানিয়েছে ইরানও। পাশাপাশি তাদের দাবি, দু-সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মানেই কিন্তু যুদ্ধের ইতি নয়। এই বিষয়ে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনেই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, 'আমেরিকা এবং ইজরায়েল— কোনও শত্রুপক্ষ যদি কোনও রকম পদক্ষেপ করে, তবে আমাদের হাত ট্রিগারেই থাকবে।' অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে যদি কোনও সন্ত্রাসী মূলক হামলা হয়, তাহলে তৎক্ষণাৎ তার বদলা নেবে তেহরান। এই অবস্থায় লেবাননের প্রতি ইজরায়েলের সক্রিয় হামলায় ইরানের ভাবমূর্তি কী হয়, তা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সমর্থন বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, 'বিশ্বের জন্য ইরান যাতে পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র এবং সন্ত্রাসী হুমকি হয়ে না দাঁড়ায়, তা নিশ্চিত করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে ইজরায়েল।
বলে রাখে ভালো, মধ্যপ্রাচ্যের এই ত্রিমুখী যুদ্ধেবিরতিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান। যা আমেরিকা এবং ইরান- দুই দেশের তরফেই স্বীকার করা হয়েছে। ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেই নিজের সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন পাক প্রধান শাহাবাজ শরিফ। তিনি বলেন, 'আমি এই উদ্যোগকে আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। উভয় দেশের নেতৃত্বের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে, সকল বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছোতে আরও আলোচনার প্রয়োজন। সেই আলোচনার জন্য দুই দেশের প্রতিনিধিদের আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।'