শরণার্থীদের চাপ আর নাকি নেওয়া যাচ্ছে না! সূত্রের খবর, এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুসারে, বাংলাদেশ ঠিক এমনই দাবি করেছে। এই আবহে রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রস্তাব গৃহীত রাষ্ট্রপুঞ...
শরণার্থীদের চাপ আর নাকি নেওয়া যাচ্ছে না! সূত্রের খবর, এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুসারে, বাংলাদেশ ঠিক এমনই দাবি করেছে। এই আবহে রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রস্তাব গৃহীত রাষ্ট্রপুঞ্জে! শুধু তাই নয়। উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেও ফের একবার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, সেই ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত প্রস্তাব পাশ হয়ে আসছে। যার নেপথ্যে ইইউ এবং ওআইসি!
জানা গিয়েছে, একসময়ে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধ। তারপর থেকেই সেখানের মুসলিম রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি দিনদিন শোচনীয় হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই প্রচুর রোহিঙ্গারা মায়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশ পালিয়ে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। শুধু বাংলাদেশই নয়, প্রাণভয়ে অন্যান্য নিকটবর্তী দেশগুলিতেও পালিয়ে যাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। তবে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি বাংলাদেশ দাবি করেছে, রোহিঙ্গাদের চাপে বাংলাদেশে যেসব শরণার্থী শিবির রয়েছে সেখানে তাদের থাকা দিনদিন অসুবিধা হয়ে পড়ছে। কারণ রোহিঙ্গাদের চাপ বাড়তেই থাকছে। এই অবস্থায় রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য প্রস্তাব গৃহীত হল রাষ্ট্রপুঞ্জে!
উল্লেখ্য, এমন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর সেই প্রস্তাবকে স্বাগত জানানো হয়েছে। স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের যাতে দ্রুততার সঙ্গে মায়ানমারে ফেরত পাঠান হয়, তার জন্য শীঘ্রই আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আর্জিও জানানো হয়েছে।