জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে অভিযুক্ত সিয়ামকে গ্রেফতার করে সিআইডি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৬৪ (হত্যার উদ্দ...
বাংলাদেশের সাংসদ খুনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারী সিয়াম হোসেনকে তোলা হল বারাসত আদালতে। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ বারাসাত জেলা ও দায়রা আদালতে আনা হয় অভিযুক্ত সিয়ামকে। মামলাটি উঠে আদালতের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারক সংগীতা লেট 'এর এজলাসে। আদালত আগামী ১৪ দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে অভিযুক্ত সিয়ামকে গ্রেফতার করে সিআইডি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ), ৩০২ (অপরাধমূলক নরহত্যা।), ২০১ (তথ্য প্রমাণ লোপাট) এবং ৩৪ (সংঘবদ্ধ ভাবে অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা)- এই চার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে।
এদিন সিআইডির তরফে অভিযুক্তকে ১৪ দিনের হেফাজতের আবেদন জানায়, আদালতও সেই আবেদন মঞ্জুর করে। সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মন্দাক্রান্তা মুখার্জি জানান 'পুননির্মাণ, এমপি আনারের দেহাশের টুকরোর সন্ধান, হত্যায় কী কী অস্ত্র ব্যবহার করা হয় সেগুলিকে উদ্ধার সহ তদন্তে গতি আনতেই সিয়ামকে ১৪ দিনের নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে সিআইডি। পরবর্তীতে ১২০ বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) যুক্ত করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে সাংসদখুনের পর নিখোঁজ ছিল অভিযুক্ত সিয়াম। ঢাকার গোয়েন্দা বিভাগ অনুমান করেছিল নেপাল হয়ে আমেরিকায় পালিয়ে যেতে পারে সে। তাই অপরাধীদের খুঁজতে নেপালেও পাড়ি দিয়েছিল সিআইডির দল। সেখানকার পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁরা। সিআইডি সূত্রের খবর, এই খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান ওরফে শাহিনের খোঁজ চলছে। অনুমান, শাহিন কলকাতা থেকে নেপাল হয়ে আমেরিকায় পালিয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে আমেরিকার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করা হয়েছে বাংলাদেশের তরফে। শাহিনের অন্যতম প্রধান সহযোগী সিয়াম। এই সিয়াম মুম্বই থেকে কসাই জিহাদকে নিয়ে কয়েক মাস ধরে এনে রেখেছিলেন বলে এমনটাই অভিযোগ।