রবিবারই পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে রাজ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা নির্বাচন সংঘটিত করা হোক এই আবেদন নিয়ে জন...
রবিবারই পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই আবহে রাজ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা নির্বাচন সংঘটিত করা হোক এই আবেদন নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য।
সেই মামলার প্রেক্ষিতে ECI এর নির্দেশ মানছে না সিইও দফতর, বলে দাবি রাজ্যের। রাজ্যের কাছে তাঁর যুক্তির ভিত্তিতে হলফনামা তলব কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেন এর ডিভিশন বেঞ্চের। পাশাপাশি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কার দায়িত্ব জানাতে হবে কমিশনকেও। আগামী শুক্রবার পরবর্তী শুনানি।
অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, এই আবেদনের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। কারণ এটা নির্বাচন কমিশনের কাজ। নির্বাচন কমিশন একটা স্বয়ংশক্রিও সংস্থা। নির্বিঘ্নে ভোট করানো তাদের দায়িত্ব। সিইও দফতরে ভূমিকা এক্ষেত্রে ভিত্তিহীন। কমিশন এর অংশ সিইও দফতর যারা পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন করাচ্ছে কিন্তু তারা ECI মেমো ২০০৬ এর নির্দেশ মেনে চলছে না। তাই রাজ্যের পক্ষ থেকে এই মামলার আবেদনের বিরোধিতা করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনে আইনজীবী জানিয়েছেন, দুই দফায় নির্বাচন স্থির হয়ছে। নির্বাচন কমিশন যথাসাধ্য চেষ্টা করছে নির্বিঘ্নে নির্বাচন করানোর জন্য। কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে থেকেই রাজ্যে এসেছেন। আরও আসবে। ওয়েব কাস্টিং এর মাধ্যমে নজরদারি রাখা হবে। অবজার্ভার রাখা হয়ছে প্রচুর। নির্বিঘ্নে ভোট করতে আমরা প্রস্তুত। পাল্টা শ্রমিক ভট্টাচার্যের আইনজীবী বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে কিন্তু তাদের সঠিক ব্যবহার করা হচ্ছে না।