সোমবার বিধানসভা নির্বাচনে ভরা ডুবি হয়েছে তৃণমূলের। রাজ্যবাসীর বিপুল সমর্থন পেয়ে ক্ষমতা দখলের পথে গেরুয়া শিবির। এই অবস্থায় বাংলার নতুন সরকার কোন দফতর থেকে রাজ্য শাসন করবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত...
সোমবার বিধানসভা নির্বাচনে ভরা ডুবি হয়েছে তৃণমূলের। রাজ্যবাসীর বিপুল সমর্থন পেয়ে ক্ষমতা দখলের পথে গেরুয়া শিবির। এই অবস্থায় বাংলার নতুন সরকার কোন দফতর থেকে রাজ্য শাসন করবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, বিজেপির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর হলে তারা মহাকরণ থেকে সরকারি কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। সেই লক্ষ্যে মহাকরণের অন্দরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলেও খবর সূত্রের।
২০১১ সালে বামেদের ক্ষমতাচ্যুত করে বাংলার মসনদে এসেছিল তৃণমূল সরকার। তবে সেই সময় তারা মহাকরণের বদলে বেছে নিয়েছিল হাওড়ার একটি সরকারি দফতর। পরে সেটিকে মেরামতি করে, বরং বলা ভালো উন্নত করে তৈরি হয় আজকের 'নবান্ন'। কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় এসে এই নবান্ন থেকে সরকার পরিচালনা করবে না বলেই আপাতত জানা যাচ্ছে। মহাকরণের এক কর্মী এই বিষয়ে জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই নবান্নের একাধিক দফতর মহাকরণে স্থানান্তর করা হবে। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী মহাকরণ সরকার চালানোর জন্য কবে প্রস্তুত হবে তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
সূত্রের খবর, আগামী ৯ই মে অর্থাৎ ২৫-শে বৈশাখের দিন শপথ নেবেন বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু ততিদনের মধ্যে মহাকরণ নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা সম্ভব হবে কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। কারণ বিগত ১৫ বছর ধরে এই দফতরের অধিকাংশ বিভাগই বন্ধ অবস্থায় পড়ে। অযত্ন এবং পরিচর্যার অভাবে বর্তমানে ধুঁকছে এই 'লালবাড়ি'। তবে যা খবর শোনা যাচ্ছে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই ফের গমগম করবে মহাকরণ। জানা যাচ্ছে, আপাতত লালবাড়ির 'এ' ব্লক ও 'বি' ব্লকের একটা অংশ প্রস্তুত হয়েছে। ইতিমধ্যে এই দুই ব্লকে পূর্ত দফতরের একাধিক অফিস রয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে মুখ্যমন্ত্রী-সহ তিনটি দফতর স্থানান্তরিত হবে বলে খবর।