ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কারণেই খুন হতে হয়েছে চন্রনাথকে! নিজের আপ্তসহায়কের হত্যার ঘটনায় এমনটাই দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে এই বিষয়ে তিনি বলে...
ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কারণেই খুন হতে হয়েছে চন্রনাথকে! নিজের আপ্তসহায়কের হত্যার ঘটনায় এমনটাই দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে এই বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমি যদি বিরোধী দলনেতা না হতাম হয়ত তাঁকে টার্গেট করত না। আমি যদি ভবানীপুরে না জিততাম তাহলে হয়ত ওঁকে খুন করত না। মানসিক দংশনে আমিও বিদ্ধ।'
এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, 'চন্দ্রনাথের কোনও ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল না। না রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল। কোনওদিন মঞ্চে উঠে বক্তৃতা করে কাওকে আক্রমণ করেনি। ওঁকে খুন করার কারণ কেবলমাত্র বিজেপির বিরোধী দলনেতার আপ্তসহায়ক হওয়া।' চন্দ্রনাথের পরিবারের পাশেও থাকবেন বলেও আজ আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কন্যা সন্তান ও স্ত্রীয়ের দায়িত্ব দল নেবে বলে আজ জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় গুলি করে খুন করা হয় চন্দ্রনাথ রথকে। গুলিবিদ্ধ হন তাঁর গাড়ি চালকও। দুজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চন্দ্রনাথকে মৃত বলে জানিয়ে দেন চিকিৎসকেরা। অপর জনকে কলকাতায় বাইপাসের ধারে এক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই অস্ত্রোপচার হয় তাঁর।