মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুনে চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে। বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের ইঙ্গিত, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। এই অবস্থায় বিজেপির রাজ্য সভাপতির প্রশ্ন, যা...
মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক খুনে চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে। বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের ইঙ্গিত, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। এই অবস্থায় বিজেপির রাজ্য সভাপতির প্রশ্ন, যাকে খুন করা হয়েছে তাঁর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তাও কেন খুন করা হল তাঁকে? তবে কি টার্গেট অন্য কেউ ছিলেন? উঠছে এই প্রশ্নও। যদিও সবটাই তদন্ত করে দেখছেন পুলিস ও সিআইডির আধিকারিকরা।
বুধবার রাত ১০টা নাগাদ মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় হামলা হয় চন্দ্রনাথের উপরে। তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালান হয় বলে অভিযোগ। পুলিস সূত্রে খবর, চারদিক থেকে গাড়ি নিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছিল চন্দ্রনাথকে। এরপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাড়ির কাচে বন্দুক ঠেকিয়ে পর পর গুলি ছোড়ে আততায়ীরা। মোট পাঁচ রাউন্ড গুলি লাগে চন্দ্রনাথের। আহত হয় গাড়ির চালকও। দুজনকেই রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। গতকাল রাতে খবর পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব।
বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'বুধবার রাতের এই ঘটনা প্রমাণ করল রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি। অপরাধীদের কাছে এটা স্বর্গরাজ্য। বারাসাত-মধ্যমগ্রাম সীমান্ত থেকে খুব বেশি দূর না। আগাগোড়াই অনুপ্রবেশকারী সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে এখানে। গতকালের হত্যাকাণ্ড কি কোনও বার্তা দেওয়ার জন্য হল। দুদিন পর প্রধানমন্ত্রী আসছেন। তার আগে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্যই কী এই হত্যা? নাকি বিজেপির বুকে গুলি করা হল?'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা জিতলাম। আর আমাদের তিন কর্মী খুন হলেন। সিংহ স্থবির বলে যদি কেউ মনে করে তাকে পদাঘাত করবে তাহলে খুব ভুল করবে। আমরা তৃণমূলের ভাষায় জবাব দিতে জানি। কিন্তু দেব না কখনোই। কারণ এটাই আমাদের স্ট্যান্ড। এটা পরিকল্পিত, প্রতিহিংসাজনিত রাজনৈতিক হত্যা।'